Dental Filling কতদিন টেকে? স্থায়িত্ব, খরচ ও যত্ন
সঠিক উপাদান, ভালোভাবে চিকিৎসা এবং নিয়মিত যত্ন নিলে Dental Filling সাধারণত কয়েক বছর স্থায়ী হতে পারে।

Dental Filling কতদিন টেকে? স্থায়িত্ব, খরচ ও যত্নের সম্পূর্ণ গাইড
Dental Filling সাধারণত প্রায় ৫ থেকে ১০ বছর টিকতে পারে, তবে এটি নির্ভর করে ফিলিংয়ের উপাদান, দাঁতের ক্ষয়ের গভীরতা, দাঁতটি সামনের নাকি পেছনের, চিবানোর চাপ এবং আপনার দৈনন্দিন যত্নের ওপর। ভালো মানের ফিলিং সঠিকভাবে করা হলে এবং নিয়মিত মুখের পরিচর্যা করলে এটি আরও দীর্ঘদিন কার্যকর থাকতে পারে।
গাজীপুরে দাঁতের ক্ষয়, গর্ত, ভাঙা অংশ বা দাঁতের রঙের পরিবর্তনের জন্য ফিলিং করানোর আগে অনেকেই জানতে চান—Dental Filling কতদিন টেকে, আবার ফিলিং লাগতে পারে কি না এবং খরচ কত। এই লেখায় ফিলিংয়ের স্থায়িত্ব, কোন বিষয়গুলো তা কমিয়ে দেয়, চিকিৎসার ধাপ, সম্ভাব্য খরচ এবং ফিলিংয়ের পর যত্ন সম্পর্কে সহজভাবে আলোচনা করা হলো।
সংক্ষেপে
- Dental Filling সাধারণত ৫–১০ বছর স্থায়ী হতে পারে; উপাদান ও দাঁতের অবস্থার ওপর সময় কমবেশি হয়।
- Tooth Color Matching Filling দেখতে স্বাভাবিক এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রায় ৫–৭ বছর বা তার বেশি স্থায়ী হতে পারে।
- ফিলিংয়ের পরও দাঁত পরিষ্কার রাখা জরুরি, কারণ নতুন করে ক্ষয় হতে পারে।
- ফিলিং খুলে গেলে বা ব্যথা হলে নিজে থেকে অপেক্ষা না করে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা করানো উচিত।
- গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ ফিলিংয়ের পরামর্শ ও চিকিৎসা নেওয়া যায়।
Dental Filling আসলে কী?
Dental Filling হলো দাঁতের ক্ষয় বা গর্তের আক্রান্ত অংশ পরিষ্কার করে সেখানে উপযুক্ত ফিলিং উপাদান বসানোর চিকিৎসা। দাঁতের ক্ষয় হলে শুধু গর্ত বন্ধ করাই উদ্দেশ্য নয়; ক্ষয় ছড়িয়ে পড়া কমানো, দাঁতের স্বাভাবিক গঠন রক্ষা করা এবং চিবানোর ক্ষমতা বজায় রাখাও এর লক্ষ্য।
দাঁতের ক্ষয় ছোট অবস্থায় ধরা পড়লে অনেক সময় ফিলিংয়ের মাধ্যমে দাঁত সংরক্ষণ করা যায়। কিন্তু ক্ষয় যদি দাঁতের ভেতরের স্নায়ু বা পাল্পে পৌঁছে যায়, তখন সাধারণ ফিলিং যথেষ্ট নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে Root Canal Treatment বা অন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণের জন্য ডেন্টিস্টের পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে ডেন্টাল এক্স-রে দরকার হতে পারে।
কোন ধরনের ফিলিং কতদিন টেকে?
ফিলিংয়ের স্থায়িত্ব একেক উপাদানে একেক রকম। তবে নিচের সময়গুলো আনুমানিক; কোনো ফিলিং কতদিন টিকবে তা রোগীর দাঁতের অবস্থা ও ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে।
| ফিলিংয়ের ধরন | আনুমানিক স্থায়িত্ব | সাধারণ বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| কম্পোজিট বা Tooth Color Matching Filling | প্রায় ৫–৭ বছর বা বেশি | দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে করা যায়, দেখতে স্বাভাবিক |
| ধাতব বা অ্যামালগাম ফিলিং | প্রায় ১০–১৫ বছর | পেছনের দাঁতে চিবানোর চাপ সহ্য করতে সক্ষম হতে পারে |
| গ্লাস আয়োনোমার ফিলিং | প্রায় ৩–৫ বছর | নির্দিষ্ট ছোট ক্ষয় বা বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যবহার হতে পারে |
| বড় ক্ষয়ের ক্ষেত্রে ফিলিং | সময় কম হতে পারে | দাঁতের অবশিষ্ট অংশ ও চাপের ওপর স্থায়িত্ব নির্ভর করে |
বর্তমানে সামনের দাঁত বা দৃশ্যমান অংশে অনেক রোগী Tooth Color Matching Filling পছন্দ করেন, কারণ এটি দাঁতের স্বাভাবিক রঙের সঙ্গে মিলিয়ে করা যায়। তবে কোন উপাদান আপনার জন্য উপযুক্ত, তা দাঁতের অবস্থান, ক্ষয়ের আকার, কামড়ের চাপ এবং নান্দনিক প্রয়োজন বিবেচনা করে ডেন্টিস্ট নির্ধারণ করবেন।
কোন কোন কারণে Dental Filling দ্রুত নষ্ট হতে পারে?
ফিলিং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কয়েকটি সাধারণ কারণ রয়েছে।
১. ক্ষয় খুব বড় বা গভীর হওয়া
দাঁতের গর্ত যত বড় হয়, ফিলিংয়ের ওপর তত বেশি চাপ পড়ে। দাঁতের খুব বেশি অংশ নষ্ট হয়ে গেলে সাধারণ ফিলিংয়ের বদলে ক্রাউন বা অন্য পুনর্গঠনমূলক চিকিৎসা দরকার হতে পারে।
২. পেছনের দাঁতে অতিরিক্ত চাপ
পেছনের দাঁত দিয়ে শক্ত খাবার চিবানো হয়। বরফ, শক্ত বাদাম, শক্ত মিছরি বা অতিরিক্ত শক্ত খাবার কামড়ানোর অভ্যাস থাকলে ফিলিং ভেঙে বা খুলে যেতে পারে।
৩. দাঁত ঘষা বা চেপে রাখার অভ্যাস
অনেকে ঘুমের মধ্যে অজান্তে দাঁত ঘষেন বা চেপে রাখেন। এই অভ্যাসকে Bruxism বলা হয়। এতে ফিলিং, দাঁত এবং কখনও চোয়ালের জয়েন্টেও অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে।
৪. মুখের পরিচর্যা ঠিক না থাকা
ফিলিং করার পরও যদি দাঁতের ফাঁকে খাবার জমে থাকে, নিয়মিত ব্রাশ না করা হয় বা মাড়ির যত্ন নেওয়া না হয়, তাহলে ফিলিংয়ের ধারে নতুন করে ক্ষয় হতে পারে।
৫. ফিলিংয়ের আকার বা অবস্থান
সামনের দাঁতের ছোট ফিলিং এবং পেছনের দাঁতের বড় ফিলিংয়ের ওপর চাপ এক নয়। বড় ফিলিংয়ের ক্ষেত্রে দাঁতের অবশিষ্ট অংশ দুর্বল থাকলে ফিলিংয়ের পাশাপাশি ক্রাউনের প্রয়োজন হতে পারে।
৬. নিয়মিত পরীক্ষা না করা
ফিলিংয়ের কিনারায় সূক্ষ্ম ফাটল, ক্ষয় বা লিকেজ শুরু হলেও সবসময় তা চোখে দেখা যায় না। নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ করলে সমস্যা বড় হওয়ার আগে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হতে পারে।
কীভাবে বুঝবেন ফিলিং পরিবর্তনের সময় হয়েছে?
নিচের লক্ষণগুলোর কোনোটি দেখা দিলে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
- ফিলিংয়ের অংশ ভেঙে যাওয়া বা খসে পড়া
- ফিলিংয়ের ধারে খাবার আটকে থাকা
- ঠান্ডা, গরম বা মিষ্টি খাবারে নতুন করে শিরশির করা
- কামড় দেওয়ার সময় ব্যথা বা উঁচু লাগা
- দাঁতের রঙ পরিবর্তন হওয়া
- ফিলিংয়ের আশপাশে কালো দাগ বা নতুন গর্ত দেখা
- রাতে বা বিশ্রামের সময় দাঁতে ব্যথা
- ফিলিং করা দাঁত দিয়ে চিবাতে অস্বস্তি
এসব লক্ষণ থাকলেই যে ফিলিং নষ্ট হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। দাঁতের ভেতরের ক্ষয়, স্নায়ুর সমস্যা, কামড়ের ভারসাম্য বা মাড়ির অবস্থাও কারণ হতে পারে। তাই নিজে থেকে ফিলিং খোঁচানো, ঘরোয়া উপায়ে বন্ধ করার চেষ্টা বা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ নেওয়া নিরাপদ নয়।
Dental Filling করার প্রক্রিয়া কীভাবে হয়?
সাধারণত ফিলিংয়ের চিকিৎসা কয়েকটি ধাপে করা হয়।
ধাপ ১: পরীক্ষা ও চিকিৎসা পরিকল্পনা
ডেন্টিস্ট দাঁতটি পরীক্ষা করবেন এবং প্রয়োজনে এক্স-রে করতে পারেন। এতে ক্ষয় কতটা গভীর, দাঁতের ভেতরের অংশ আক্রান্ত হয়েছে কি না এবং ফিলিং যথেষ্ট হবে কি না—এসব বোঝা যায়।
ধাপ ২: ক্ষয় পরিষ্কার করা
স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দাঁতের ক্ষয় হওয়া অংশ পরিষ্কার করা হয়। আক্রান্ত অংশ পুরোপুরি না সরালে ফিলিংয়ের নিচে ক্ষয় চলতে পারে।
ধাপ ৩: ফিলিংয়ের উপাদান বসানো
দাঁতের আকার, অবস্থান ও রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিলিং উপাদান বসানো হয়। Tooth Color Matching Filling হলে উপাদানটি দাঁতের রঙের কাছাকাছি করা হয়।
ধাপ ৪: শক্ত করা ও আকার ঠিক করা
কম্পোজিট ফিলিং হলে বিশেষ আলো ব্যবহার করে উপাদান শক্ত করা হতে পারে। এরপর ফিলিংয়ের উচ্চতা ও আকৃতি সামঞ্জস্য করা হয়, যাতে কামড় দেওয়ার সময় অস্বস্তি না হয়।
ধাপ ৫: পরবর্তী নির্দেশনা
ফিলিংয়ের ধরন অনুযায়ী কখন খাবার খাওয়া যাবে, কোন বিষয় এড়াতে হবে এবং কখন পুনরায় পরীক্ষা দরকার—ডেন্টিস্ট তা জানাবেন।
গাজীপুরে Dental Filling-এর খরচ কত?
ফিলিংয়ের খরচ নির্ভর করে দাঁতের ক্ষয়ের আকার, ফিলিংয়ের উপাদান, দাঁতের অবস্থান এবং অতিরিক্ত পরীক্ষা বা চিকিৎসার প্রয়োজন আছে কি না তার ওপর। ছোট গর্তের ফিলিং এবং বড় ক্ষয়ের ফিলিংয়ের খরচ এক নাও হতে পারে।
ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এর প্রকাশিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী Tooth Color Matching Filling-এর অফার মূল্য ৳৮৯৯। এই চিকিৎসায় দাঁতের স্বাভাবিক রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ন্যাচারাল লুক দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অফার বা মূল্য পরিবর্তিত হতে পারে, তাই অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে বর্তমান মূল্য ফোন বা WhatsApp-এ নিশ্চিত করা ভালো।
| সেবা | প্রকাশিত মূল্য | কী জানা দরকার |
|---|---|---|
| Tooth Color Matching Filling | ৳৮৯৯ | দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ফিলিং |
| দাঁতের সাধারণ ফিলিং | চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী | ক্ষয়ের আকার ও উপাদানভেদে খরচ পরিবর্তন হতে পারে |
| ডেন্টাল এক্স-রে বা অতিরিক্ত চিকিৎসা | প্রয়োজন অনুযায়ী | আলাদা পরীক্ষা বা চিকিৎসা লাগতে পারে |
গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে চিকিৎসা নেওয়ার সুবিধা থাকলে রোগীর জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস-এ চিকিৎসার আগে সমস্যাটি পরীক্ষা করে সম্ভাব্য চিকিৎসা ও খরচ সম্পর্কে জানার সুযোগ রয়েছে। ঢাকায় যাওয়ার অতিরিক্ত যাতায়াতের খরচ ও সময় বিবেচনা করলে জয়দেবপুরে স্থানীয়ভাবে মানসম্মত, সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে চিকিৎসা নেওয়া অনেকের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে।
ফিলিংয়ের পর কীভাবে যত্ন নেবেন?
ফিলিং দীর্ঘদিন ভালো রাখতে নিয়মিত যত্ন গুরুত্বপূর্ণ।
- দিনে অন্তত দুইবার নরম ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন।
- দাঁতের ফাঁকে খাবার জমলে ডেন্টাল ফ্লস বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিষ্কার করার উপায় ব্যবহার করুন।
- অতিরিক্ত শক্ত খাবার, বরফ বা শক্ত মিছরি কামড়ানোর অভ্যাস এড়িয়ে চলুন।
- অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার ও চিনিযুক্ত পানীয় কমান।
- ফিলিং করা দাঁতে নতুন ব্যথা, শিরশির বা ফাটল অনুভব হলে অপেক্ষা করবেন না।
- নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ করুন, বিশেষ করে আগে একাধিক দাঁতে ক্ষয় থাকলে।
- দাঁত ঘষার অভ্যাস থাকলে তা ডেন্টিস্টকে জানান।
ফিলিং দাঁতের ক্ষয় মেরামত করে, কিন্তু দাঁতকে ভবিষ্যতের সব ক্ষয় থেকে রক্ষা করে না। তাই ফিলিং করার পরও মাড়ি, জিহ্বা, দাঁতের ফাঁক এবং বাকি দাঁতের যত্ন সমানভাবে জরুরি।
গাজীপুরে ফিলিং কোথায় করাবেন?
আপনি যদি গাজীপুর, জয়দেবপুর বা শিমুলতলী রোডের আশপাশে Dental Filling করানোর জন্য ক্লিনিক খুঁজে থাকেন, ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি সুবিধাজনক স্থানীয় বিকল্প। এখানে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত সেটআপ এবং রোগীবান্ধব পরিবেশে দাঁতের সাধারণ চিকিৎসা ও ফিলিং সেবা দেওয়া হয়।
ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. আতিয়া শাহনাজ, বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে শিক্ষিত। তিনি মুখ ও দাঁতের সার্জন এবং এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকসে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। আপনার দাঁতে শুধু ফিলিং যথেষ্ট হবে, নাকি অন্য চিকিৎসা দরকার—তা পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝানো হবে।
ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস-এর লক্ষ্য হলো মানসম্মত চিকিৎসা, রোগীবান্ধব সেবা এবং সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্য নিশ্চিত করা। গাজীপুরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার ফলে ঢাকায় যাতায়াতের সময় ও অতিরিক্ত খরচ কমানোর সুবিধা থাকতে পারে। তবে প্রতিটি দাঁতের অবস্থা আলাদা, তাই চূড়ান্ত চিকিৎসা ও মূল্য ডেন্টিস্টের পরীক্ষার পর নির্ধারিত হবে।
ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর। স্বপ্ন সুপার শপ থেকে প্রায় ৫০ গজ উত্তরে, অরেঞ্জ শো-রুমের পাশের বিল্ডিংয়ের ২য় তলায়, আব্দুর রাজ্জাক মেডিকেল হলের উপর।
চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা।
কখন দ্রুত ডেন্টিস্ট দেখাবেন?
দাঁতের ব্যথা সহনীয় হলেও যদি মুখ বা গাল ফুলে যায়, পুঁজের মতো সমস্যা দেখা দেয়, জ্বর থাকে, দাঁত ভেঙে যায়, রক্তপাত বন্ধ না হয় বা গিলতে ও শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে দ্রুত পেশাদার চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। এসব অবস্থায় শুধু ফিলিং করলেই সমস্যার সমাধান নাও হতে পারে।
ফিলিং করার আগে দাঁতের প্রকৃত সমস্যা নিশ্চিত করা দরকার। তাই দাঁতে গর্ত, ব্যথা, শিরশির বা খাবার আটকে যাওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে দেরি না করে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা করান।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
Dental Filling কতদিন টিকবে তা নির্ভর করে শুধু ফিলিংয়ের উপাদানের ওপর নয়; দাঁতের ক্ষয় কতটা, চিকিৎসা কতটা সঠিকভাবে হয়েছে এবং পরে আপনি কীভাবে যত্ন নিচ্ছেন—সবকিছুর ওপর। ফিলিং খুলে গেলে বা ব্যথা হলে নিজে থেকে অপেক্ষা না করে পরীক্ষা করানোই নিরাপদ।
গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে Dental Filling এবং Tooth Color Matching Filling সম্পর্কে জানতে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ যোগাযোগ করতে পারেন।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ফোন/WhatsApp 01601002588
ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর।
চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা।
গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ
আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।
- ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
- ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
- ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
- ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে
ডা. আতিয়া শাহনাজ
বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন
“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন:Dental Filling কতদিন টেকে?+
Dental Filling সাধারণত প্রায় ৫ থেকে ১০ বছর টিকতে পারে, তবে উপাদান, দাঁতের অবস্থান, ক্ষয়ের গভীরতা, চিবানোর চাপ এবং ব্যক্তিগত যত্নের ওপর স্থায়িত্ব নির্ভর করে। নিয়মিত ব্রাশ, ফ্লস এবং ডেন্টাল চেকআপ করলে ফিলিং দীর্ঘদিন ভালো থাকতে পারে।
প্রশ্ন:Tooth Color Matching Filling কতদিন স্থায়ী হয়?+
দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে করা কম্পোজিট বা Tooth Color Matching Filling অনেক ক্ষেত্রে প্রায় ৫ থেকে ৭ বছর বা তার বেশি স্থায়ী হতে পারে। তবে সামনের ও পেছনের দাঁতে চাপের পার্থক্য, দাঁত ঘষার অভ্যাস এবং ফিলিংয়ের আকার অনুযায়ী সময় কমবেশি হতে পারে।
প্রশ্ন:দাঁতের ফিলিং খুলে গেলে কী করা উচিত?+
ফিলিং খুলে গেলে ওই পাশে চিবানো কমিয়ে দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন। দাঁতটি পুনরায় ফিলিং করা যাবে, নাকি ক্রাউন বা অন্য চিকিৎসা দরকার—তা পরীক্ষা ও প্রয়োজনে এক্স-রের পর নির্ধারণ করা হয়।
প্রশ্ন:গাজীপুরে Dental Filling করতে কত টাকা লাগে?+
ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী Tooth Color Matching Filling-এর অফার মূল্য ৳৮৯৯। দাঁতের ক্ষয়ের গভীরতা, ফিলিংয়ের ধরন ও অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন অনুযায়ী চূড়ান্ত খরচ পরিবর্তিত হতে পারে।
প্রশ্ন:ফিলিং করার পর দাঁতে শিরশির করা কি স্বাভাবিক?+
ফিলিংয়ের পর অল্প সময়ের জন্য ঠান্ডা বা গরমে সংবেদনশীলতা হতে পারে। তবে ব্যথা বাড়তে থাকলে, রাতে তীব্র ব্যথা হলে বা কামড় দেওয়ার সময় সমস্যা হলে ডেন্টিস্টকে দেখানো জরুরি, কারণ ক্ষয় গভীর হতে পারে বা ফিলিং সামঞ্জস্যের প্রয়োজন হতে পারে।
প্রশ্ন:ফিলিং করা দাঁত কি আবার ক্ষয় হতে পারে?+
হ্যাঁ, ফিলিং দাঁতের ক্ষয় হওয়া অংশ মেরামত করে, কিন্তু নতুন ক্ষয় পুরোপুরি প্রতিরোধ করে না। ফিলিংয়ের ধারে প্লাক জমলে বা মুখের পরিচর্যা ঠিক না হলে দাঁতের বাকি অংশে কিংবা ফিলিংয়ের কিনারায় আবার ক্ষয় হতে পারে।
প্রশ্ন:গাজীপুরে দাঁতের ফিলিং কোথায় করানো যায়?+
গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ ডা. আতিয়া শাহনাজের পরামর্শে দাঁতের ফিলিং ও Tooth Color Matching Filling করা যায়। ক্লিনিকটি জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শিমুলতলী রোডে অবস্থিত এবং ফোন বা WhatsApp-এ অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যায়।
প্রশ্ন:ফিলিং করার পর কী কী খাবার এড়ানো উচিত?+
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফিলিং শক্ত হওয়ার সময় পর্যন্ত খুব শক্ত, আঠালো বা অতিরিক্ত গরম খাবার এড়ানো ভালো। ফিলিংয়ের ধরন অনুযায়ী অপেক্ষার সময় আলাদা হতে পারে, তাই চিকিৎসকের নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
সিরিয়াল নিতে চান?
শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588
💬 WhatsApp করুন