মাড়ির রোগ অবহেলা করলে কী হতে পারে? লক্ষণ ও চিকিৎসা

মাড়ির রোগ শুরুতে হালকা মনে হলেও চিকিৎসা না করলে দাঁত, মাড়ি ও মুখের স্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

🕐 পড়তে সময়: ৮ মিনিট✍️ লেখক: Flora Dental Editorial Team
মাড়ির রোগ অবহেলা করলে কী হতে পারে? লক্ষণ ও চিকিৎসা — ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস

মাড়ির রোগ অবহেলা করলে কী হতে পারে?

মাড়ির রোগ অবহেলা করলে প্রথমে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, ফুলে যাওয়া বা মুখে দুর্গন্ধের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না করলে দাঁতের চারপাশের টিস্যু ও হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দাঁত নড়বড়ে হওয়া, দাঁত পড়ে যাওয়া এবং চিবানোর সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

মাড়ির সমস্যা সাধারণত একদিনে গুরুতর হয় না। দাঁতের গায়ে জমে থাকা প্লাক ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস বা দাঁতের পাথরে পরিণত হয়। এই জমাট ময়লা মাড়িতে প্রদাহ তৈরি করতে পারে। সঠিক কারণ জানতে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে—কারণ রক্তপাত বা ফোলা সবসময় একই রোগের কারণে হয় না।

সংক্ষেপে

  • মাড়ি থেকে নিয়মিত রক্ত পড়া স্বাভাবিক নয়; এটি মাড়ির প্রদাহ বা দাঁতের পাথরের লক্ষণ হতে পারে।
  • মাড়ির রোগ চিকিৎসা না করলে দাঁত ধরে রাখা হাড় ও টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
  • মুখের দুর্গন্ধ, মাড়ি সরে যাওয়া, পুঁজ বা দাঁত নড়বড়ে হওয়া অবহেলা করা উচিত নয়।
  • চিকিৎসার ধরন নির্ভর করে রোগের মাত্রা, দাঁতের পাথর এবং মাড়ির অবস্থার ওপর।
  • গাজীপুরে মাড়ির সমস্যা নিয়ে পরামর্শের জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ যোগাযোগ করা যায়।

মাড়ির রোগ কীভাবে শুরু হয়?

মাড়ির রোগের শুরুতে দাঁতের গায়ে ব্যাকটেরিয়ার তৈরি পাতলা স্তর বা প্লাক জমে। নিয়মিত ও সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে প্লাক শক্ত হয়ে দাঁতের পাথরে পরিণত হয়। দাঁতের পাথর মাড়ির কিনারায় চাপ সৃষ্টি করে এবং সেখানে জীবাণু জমার সুযোগ বাড়ায়।

প্রথম পর্যায়কে সাধারণভাবে মাড়ির প্রদাহ বা Gingivitis বলা হয়। এ অবস্থায় মাড়ি লাল, স্পর্শকাতর বা ফুলে যেতে পারে এবং ব্রাশ করার সময় রক্ত পড়তে পারে। এই পর্যায়ে চিকিৎসা ও ভালো মুখের যত্ন নিলে সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে।

চিকিৎসা না হলে প্রদাহ গভীরে ছড়িয়ে মাড়ি ও দাঁতকে ধরে রাখা হাড়ের ক্ষতি করতে পারে। তখন এটি গুরুতর মাড়ির রোগ বা Periodontitis-এর মতো অবস্থায় রূপ নিতে পারে। রোগের পর্যায় নির্ধারণের জন্য ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা এবং প্রয়োজন হলে ডেন্টাল এক্স-রে লাগতে পারে।

মাড়ির রোগ অবহেলা করলে কোন কোন সমস্যা হতে পারে?

১. মাড়ি থেকে বারবার রক্ত পড়া

ব্রাশ, ফ্লস বা শক্ত খাবার খাওয়ার সময় মাড়ি থেকে রক্ত পড়া মাড়ির প্রদাহের একটি সাধারণ লক্ষণ। অনেকে এটিকে ব্রাশের কারণে হয়েছে মনে করে ব্রাশ করা কমিয়ে দেন। এতে দাঁতের গায়ে প্লাক আরও জমতে পারে এবং সমস্যা বাড়তে পারে।

রক্তপাতের কারণ জানতে মাড়ির অবস্থা, দাঁতের পাথর এবং মুখের পরিচ্ছন্নতা পরীক্ষা করা দরকার। নিয়মিত রক্তপাত হলে ঘরোয়া উপায়ে বিষয়টি চাপা না দিয়ে ডেন্টিস্ট দেখানো উচিত।

২. মাড়ি ফুলে যাওয়া ও লাল হয়ে যাওয়া

স্বাস্থ্যকর মাড়ি সাধারণত শক্ত এবং হালকা গোলাপি রঙের হয়। মাড়ি লাল, নরম, ফোলা বা স্পর্শে ব্যথাযুক্ত হলে সেখানে প্রদাহ বা সংক্রমণ থাকতে পারে। দীর্ঘদিন ফোলা মাড়ি দাঁতের চারপাশে পরিষ্কার রাখা কঠিন করে তোলে।

কখনও মাড়ির ফোলা নির্দিষ্ট একটি দাঁতের পাশে বেশি দেখা যায়। এর পেছনে দাঁতের ক্ষয়, আটকে থাকা খাবার, দাঁতের পাথর বা অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। পরীক্ষা ছাড়া সঠিক কারণ নিশ্চিত করা যায় না।

৩. মুখে দুর্গন্ধ ও অস্বস্তিকর স্বাদ

মাড়ির ফাঁকে ব্যাকটেরিয়া, প্লাক, খাবারের কণা বা পুঁজ জমলে মুখে দীর্ঘস্থায়ী দুর্গন্ধ হতে পারে। শুধু মাউথওয়াশ ব্যবহার করলে সাময়িকভাবে গন্ধ কমতে পারে, কিন্তু মূল কারণ দূর না হলে সমস্যা ফিরে আসতে পারে।

যদি নিয়মিত ব্রাশ করার পরও দুর্গন্ধ থাকে, মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে বা মুখে খারাপ স্বাদ অনুভূত হয়, তাহলে পেশাদার পরীক্ষা করানো ভালো।

৪. মাড়ি সরে গিয়ে দাঁত লম্বা দেখানো

মাড়ির রোগ বাড়লে মাড়ি দাঁতের গোড়া থেকে সরে যেতে পারে। তখন দাঁতের বেশি অংশ বাইরে দেখা যায় এবং দাঁত আগের তুলনায় লম্বা মনে হতে পারে। মাড়ি সরে গেলে দাঁতের সংবেদনশীলতা বাড়তে পারে, বিশেষ করে ঠান্ডা বা গরম খাবারে।

মাড়ি সরে যাওয়ার কারণ শুধু সংক্রমণ নয়; খুব জোরে ব্রাশ করা, দাঁতের অবস্থান বা অন্য কিছু কারণও থাকতে পারে। তাই নিজে থেকে জোরে ব্রাশ না করে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৫. দাঁতের চারপাশের হাড় ক্ষয়

মাড়ির গুরুতর রোগে দাঁতকে ধরে রাখা হাড় ও সহায়ক টিস্যু ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে পারে। এই ক্ষয় অনেক সময় শুরুতে বাইরে থেকে বোঝা যায় না। ডেন্টাল পরীক্ষা বা এক্স-রে ছাড়া হাড়ের অবস্থার সম্পূর্ণ ধারণা পাওয়া কঠিন হতে পারে।

হাড় ক্ষয় হলে দাঁতের স্থায়িত্ব কমে যেতে পারে। চিকিৎসার লক্ষ্য হয় রোগের অগ্রগতি নিয়ন্ত্রণ করা, মাড়ি পরিষ্কার রাখা এবং দাঁতকে যতটা সম্ভব সংরক্ষণ করা।

৬. দাঁত নড়বড়ে হওয়া বা পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি

মাড়ি ও হাড় দুর্বল হয়ে গেলে দাঁত নড়বড়ে হতে পারে। চিবানোর সময় দাঁত নড়ার অনুভূতি, কামড়ের ধরন বদলে যাওয়া বা দাঁতের মাঝে নতুন ফাঁক তৈরি হওয়া অবহেলা করা উচিত নয়।

দাঁত নড়বড়ে হওয়ার পেছনে মাড়ির রোগ ছাড়াও আঘাত, অতিরিক্ত চাপ বা অন্য সমস্যা থাকতে পারে। সঠিক কারণ জানতে দ্রুত ডেন্টাল পরীক্ষা প্রয়োজন। খুব দেরি হলে দাঁত সংরক্ষণ করা কঠিন হতে পারে।

মাড়ির রোগের সাধারণ লক্ষণ কী কী?

নিচের এক বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিলে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

  • ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
  • মাড়ি লাল, ফোলা বা ব্যথাযুক্ত হওয়া
  • মুখে দীর্ঘস্থায়ী দুর্গন্ধ
  • দাঁতে পাথর বা হলদে-বাদামি জমাট দাগ
  • মাড়ি সরে গিয়ে দাঁত লম্বা দেখানো
  • ঠান্ডা বা গরম খাবারে দাঁত শিরশির করা
  • দাঁত নড়বড়ে লাগা
  • দাঁতের মাঝে খাবার আটকে থাকা
  • মাড়ি থেকে পুঁজ বা অস্বাভাবিক তরল বের হওয়া

এই লক্ষণগুলোর অর্থ সবার ক্ষেত্রে একই নয়। তাই অনলাইনে লক্ষণ মিলিয়ে নিজে রোগ নির্ণয় না করে সরাসরি পরীক্ষা করানো নিরাপদ।

মাড়ির রোগের চিকিৎসা কীভাবে করা হয়?

চিকিৎসা রোগের মাত্রা ও কারণ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত ধাপগুলো এমন হতে পারে:

ধাপ ১: মুখ ও মাড়ি পরীক্ষা

ডেন্টিস্ট মাড়ির রঙ, ফোলা, রক্তপাত, দাঁতের পাথর, দাঁতের নড়াচড়া এবং মাড়ির ফাঁকের অবস্থা পরীক্ষা করতে পারেন। প্রয়োজন হলে ডেন্টাল এক্স-রে করে দাঁতের চারপাশের হাড়ের অবস্থা দেখা হতে পারে।

ধাপ ২: স্কেলিং ও পলিশিং

দাঁতের ওপর জমে থাকা প্লাক ও শক্ত ক্যালকুলাস পরিষ্কার করার জন্য Scaling করা হয়। এরপর Polishing করলে দাঁতের উপরিভাগের কিছু জমে থাকা দাগ পরিষ্কার করতে সহায়তা করতে পারে। কত সময় লাগবে তা দাঁতের পাথরের পরিমাণ ও মাড়ির অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ স্কেলিংয়ের নিয়মিত মূল্য ৳১,৫০০ এবং দেওয়া বর্তমান অফার মূল্য ৳৯৯৯। এই অফারে পলিশিং এবং ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশন ফ্রি থাকার তথ্য রয়েছে। অফার পরিবর্তিত হতে পারে, তাই অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে ফোন বা WhatsApp-এ বর্তমান মূল্য জেনে নেওয়া ভালো।

ধাপ ৩: গভীর পরিষ্কার বা অতিরিক্ত চিকিৎসা

মাড়ির রোগ গভীরে গেলে শুধু সাধারণ স্কেলিং যথেষ্ট নাও হতে পারে। মাড়ির নিচে জমে থাকা ক্যালকুলাস পরিষ্কার করার জন্য বিশেষ ধরনের গভীর পরিষ্কার বা অন্য চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে। এটি রোগীর পরীক্ষার ফল অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।

ধাপ ৪: ফলোআপ ও মুখের যত্ন

চিকিৎসার পর মাড়ির রক্তপাত, ফোলা, দুর্গন্ধ বা সংবেদনশীলতা কমছে কি না তা দেখা হয়। প্রয়োজন হলে পুনরায় চেকআপের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। মাড়ির রোগ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মুখের যত্ন এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর ডেন্টাল পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

মাড়ির চিকিৎসার খরচ কত হতে পারে?

মাড়ির চিকিৎসার খরচ একেক রোগীর ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। কারণ শুধু স্কেলিং লাগবে, নাকি গভীর পরিষ্কার, এক্স-রে বা অন্য চিকিৎসা প্রয়োজন—তা পরীক্ষা ছাড়া বলা যায় না।

চিকিৎসা বা সেবাফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসের প্রকাশিত মূল্য
স্কেলিং, নিয়মিত মূল্য৳১,৫০০
স্কেলিং, বর্তমান অফার মূল্য৳৯৯৯
অফারে পলিশিংফ্রি
অফারে ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশনফ্রি
ডেন্টাল এক্স-রে/ডায়াগনস্টিকপ্রয়োজন অনুযায়ী; মূল্য জানতে যোগাযোগ করুন

মাড়ির রোগের চিকিৎসায় সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্য জানা রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) গাজীপুরে আধুনিক সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে প্রয়োজনীয় ডেন্টাল পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার সুবিধায় অনেক রোগীর জন্য ঢাকায় যাতায়াতের সময় ও অতিরিক্ত খরচ কমতে পারে; তবে কোন চিকিৎসা আপনার জন্য উপযুক্ত, তা পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হবে।

মাড়ির রোগ প্রতিরোধে দৈনন্দিন যত্ন

  • দিনে অন্তত দুইবার নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন।
  • ব্রাশ করার সময় মাড়িতে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না।
  • দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার রাখতে ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ সম্পর্কে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।
  • ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য এড়িয়ে চলুন।
  • খুব বেশি মিষ্টি বা দাঁতে আটকে থাকে এমন খাবার কমান।
  • দাঁতে পাথর জমলে নিজে ধারালো কিছু দিয়ে খোঁচাবেন না।
  • মাড়ি থেকে নিয়মিত রক্ত পড়লে মাউথওয়াশ দিয়ে বিষয়টি ঢেকে না রেখে পরীক্ষা করান।
  • নির্দিষ্ট বিরতিতে ডেন্টাল চেকআপ করুন।

গাজীপুরে মাড়ির চিকিৎসা কোথায় করাবেন?

আপনি যদি গাজীপুর, জয়দেবপুর বা শিমুলতলী রোড এলাকায় মাড়ির রোগের চিকিৎসা খুঁজে থাকেন, ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি স্থানীয়ভাবে সুবিধাজনক বিকল্প। এখানে ডা. আতিয়া শাহনাজ—বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষিত এবং এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকসে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত—রোগী দেখেন।

ক্লিনিকে দাঁত ও মাড়ির সাধারণ চিকিৎসা, স্কেলিং ও পলিশিং, মাড়ির চিকিৎসা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডেন্টাল ডায়াগনস্টিক সুবিধা রয়েছে। চিকিৎসার আগে রোগীর সমস্যা শুনে পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা জানানো হয়। সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্য, পরিচ্ছন্ন সেটআপ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম—এই বিষয়গুলো মাড়ির চিকিৎসার জন্য ক্লিনিক বাছাইয়ের সময় বিবেচনা করা যেতে পারে।

ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর। স্বপ্ন সুপার শপ থেকে প্রায় ৫০ গজ উত্তরে, অরেঞ্জ শো-রুমের পাশের বিল্ডিংয়ের ২য় তলা, আব্দুর রাজ্জাক মেডিকেল হলের উপর।

চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা।

কখন দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি?

মাড়ি থেকে অল্প রক্ত পড়া বা হালকা ফোলা থাকলেও পরীক্ষা করানো উচিত। তবে মুখ বা চোয়াল দ্রুত ফুলে যাওয়া, পুঁজ, তীব্র ব্যথা, আঘাতের পর রক্তপাত বন্ধ না হওয়া, জ্বরের সঙ্গে মুখের ফোলা অথবা শ্বাস নিতে কিংবা গিলতে কষ্ট হলে দ্রুত পেশাদার বা জরুরি চিকিৎসা নিন। এসব অবস্থায় ঘরোয়া চিকিৎসার ওপর নির্ভর করা নিরাপদ নয়।

উপসংহার

মাড়ির রোগকে ছোট সমস্যা মনে করে দীর্ঘদিন অবহেলা করলে মাড়ি, দাঁতের চারপাশের হাড় এবং দাঁতের স্থায়িত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, দুর্গন্ধ, ফোলা বা দাঁত নড়বড়ে হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন। সময়মতো পরীক্ষা করলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায় এবং সমস্যার অগ্রগতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা সম্ভব হতে পারে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন

মাড়ির রক্তপাত, ফোলা, দুর্গন্ধ বা দাঁতের পাথর নিয়ে পরামর্শের জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ যোগাযোগ করুন।

সঠিক কারণ জানতে এবং আপনার ক্ষেত্রে কোন চিকিৎসা উপযুক্ত তা নির্ধারণের জন্য চেম্বারে ডেন্টাল পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।

গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ

আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।

  • ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
  • ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
  • ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
  • ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার
ডা. আতিয়া শাহনাজ

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে

ডা. আতিয়া শাহনাজ

বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন

“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন:মাড়ির রোগ অবহেলা করলে কী হতে পারে?+

মাড়ির রোগ অবহেলা করলে মাড়ি ফুলে যাওয়া, রক্তপাত, মুখে দুর্গন্ধ, দাঁতের চারপাশের হাড় ক্ষয় এবং দাঁত নড়বড়ে হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। গুরুতর অবস্থায় দাঁত পড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।

প্রশ্ন:মাড়ি থেকে রক্ত পড়া কি স্বাভাবিক?+

ব্রাশ বা খাবার খাওয়ার সময় নিয়মিত মাড়ি থেকে রক্ত পড়া স্বাভাবিক নয়। এটি প্লাক, দাঁতের পাথর বা মাড়ির প্রদাহের লক্ষণ হতে পারে, তাই কারণ জানতে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন।

প্রশ্ন:মাড়ির রোগ কি দাঁত নড়বড়ে করে?+

হ্যাঁ, দীর্ঘদিনের মাড়ির রোগ দাঁতকে ধরে রাখা মাড়ি ও হাড় দুর্বল করতে পারে। ফলে দাঁত নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে এবং গুরুতর ক্ষেত্রে দাঁত হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়।

প্রশ্ন:মাড়ির পাথর কি ঘরে পরিষ্কার করা যায়?+

দাঁতের পাথর বা ক্যালকুলাস শক্তভাবে জমে গেলে সাধারণ ব্রাশে তা দূর করা যায় না। নিরাপদভাবে পরিষ্কারের জন্য ডেন্টিস্টের পরামর্শে Scaling ও Polishing প্রয়োজন হতে পারে।

প্রশ্ন:গাজীপুরে মাড়ির চিকিৎসা কোথায় করাব?+

গাজীপুরের জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ মাড়ির সমস্যা নিয়ে পরামর্শ নিতে পারেন। এখানে ডা. আতিয়া শাহনাজ রোগী দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা পরিকল্পনা জানান।

প্রশ্ন:মাড়ির চিকিৎসার খরচ কত?+

মাড়ির চিকিৎসার খরচ রোগের ধরন, দাঁতের পাথরের পরিমাণ, মাড়ির ক্ষতি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ওপর নির্ভর করে। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ বর্তমান স্কেলিং অফার ৳৯৯৯; এতে পলিশিং এবং ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশন ফ্রি থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন:মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করতে কী করা উচিত?+

দিনে অন্তত দুইবার নরম ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করা, দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার রাখা এবং নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ করা জরুরি। রক্তপাত, দুর্গন্ধ বা মাড়ি ফুলে গেলে নিজে চিকিৎসা না করে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রশ্ন:মাড়ির সমস্যা হলে কখন জরুরি ডেন্টিস্ট দেখাব?+

মুখ বা মাড়ি অতিরিক্ত ফুলে গেলে, পুঁজ হলে, তীব্র ব্যথা হলে, রক্তপাত বন্ধ না হলে অথবা গিলতে ও শ্বাস নিতে কষ্ট হলে দ্রুত পেশাদার চিকিৎসা নিন। এসব লক্ষণ গুরুতর সংক্রমণ বা অন্য জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে।

শেয়ার করুন:FacebookWhatsApp

সিরিয়াল নিতে চান?

শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588

💬 WhatsApp করুন