Flossing কীভাবে করবেন? সঠিক নিয়ম ও উপকারিতা
দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা প্লাক পরিষ্কার রাখতে সঠিক নিয়মে প্রতিদিন Flossing করা গুরুত্বপূর্ণ।

Flossing কীভাবে করবেন? দাঁতের ফাঁক পরিষ্কারের সঠিক নিয়ম
Flossing হলো ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করে দাঁতের মাঝের সরু জায়গা ও মাড়ির কিনারা পরিষ্কার করার পদ্ধতি। সঠিক নিয়মে দিনে একবার Flossing করলে ব্রাশে পৌঁছানো কঠিন জায়গা থেকে খাবারের কণা ও প্লাক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
শুধু ব্রাশ করলেই মুখের সব অংশ পরিষ্কার হয় না। টুথব্রাশ সাধারণত দাঁতের সামনের, পেছনের ও চিবানোর অংশ পরিষ্কার করে; কিন্তু পাশাপাশি থাকা দাঁতের মাঝখানের জায়গায় ব্রাশের শলাকা সহজে পৌঁছাতে পারে না। এই জায়গায় জমে থাকা প্লাক থেকে মাড়ির প্রদাহ, মুখের দুর্গন্ধ, দাঁতের ক্ষয় এবং মাড়ি থেকে রক্তপাতের মতো সমস্যা হতে পারে। তাই Flossing-কে দৈনন্দিন oral hygiene routine-এর অংশ করা উপকারী।
Flossing কেন করবেন?
দাঁতের মাঝখানে খাবারের কণা আটকে থাকা খুব স্বাভাবিক। মুখের ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে এই কণা ও প্লাক মিশে দাঁতের উপর আঠালো স্তর তৈরি করতে পারে। সময়মতো পরিষ্কার না করলে প্লাক শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস বা দাঁতের পাথরে পরিণত হতে পারে, যা সাধারণ ব্রাশে দূর করা যায় না।
নিয়মিত ও সঠিকভাবে Flossing করার সম্ভাব্য উপকারগুলো হলো:
- দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবারের কণা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করা
- দাঁতের মাঝের প্লাক কমাতে সহায়তা করা
- মাড়ির কিনারায় প্রদাহ ও অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করা
- মুখের দুর্গন্ধের কিছু কারণ নিয়ন্ত্রণে রাখা
- দাঁতের মাঝখানে নতুন ক্যাভিটি হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করা
- ব্রিজ, ক্রাউন বা ব্রেসেসের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করা
তবে Flossing কোনো চলমান দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির রোগ বা দাঁতের পাথরের চিকিৎসার বিকল্প নয়। আপনার মাড়ি ফুলে গেলে, দীর্ঘদিন রক্ত পড়লে বা দাঁতে ব্যথা থাকলে কারণ নিশ্চিত করার জন্য ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন।
Flossing করার আগে কী লাগবে?
সাধারণত একটি পরিষ্কার ডেন্টাল ফ্লসই যথেষ্ট। বাজারে ওয়াক্সড, আনওয়াক্সড, ফ্লেভারযুক্ত এবং টেপ-ফ্লস পাওয়া যায়। দাঁতের ফাঁক খুব সরু হলে পাতলা ফ্লস সহজে ব্যবহার করা যায়; আবার ফাঁক কিছুটা বড় হলে টেপ-ফ্লস বা interdental cleaning tool আরামদায়ক হতে পারে।
যাদের হাতে ফ্লস ধরে ব্যবহার করতে অসুবিধা হয়, তারা floss pick ব্যবহার করতে পারেন। তবে যে ধরনের ফ্লসই ব্যবহার করুন, প্রতিটি দাঁতের পাশ পরিষ্কার করার সময় একই অংশ বারবার ব্যবহার না করাই ভালো। ব্রিজ বা ব্রেসেস থাকলে সাধারণ ফ্লসের পাশাপাশি floss threader বা interdental brush প্রয়োজন হতে পারে।
Flossing কীভাবে করবেন: ধাপে ধাপে নিয়ম
১. প্রায় ৪৫ সেন্টিমিটার ফ্লস কাটুন
একটি ডেন্টাল ফ্লস থেকে প্রায় ৪০–৪৫ সেন্টিমিটার অংশ নিন। দুই হাতের মধ্যমা আঙুলে ফ্লসের দুই প্রান্ত পেঁচিয়ে নিন। দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনী দিয়ে মাঝখানে প্রায় ২–৩ সেন্টিমিটার ফ্লস টানটান করে ধরুন।
একবারে বড় অংশ নিলে প্রতিটি দাঁতের জন্য পরিষ্কার অংশ ব্যবহার করা সহজ হয়। এতে এক দাঁতের প্লাক অন্য দাঁতের জায়গায় ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কমে।
২. দাঁতের মাঝখানে আলতোভাবে প্রবেশ করান
ফ্লসটি দাঁতের মাঝের ফাঁকে নিয়ে ধীরে ধীরে সামনে-পেছনে নড়াচড়া করে নিচে নামান। ফ্লসকে হঠাৎ করে মাড়িতে আঘাত করার মতো জোরে ঠেলে দেবেন না। এতে মাড়ি কেটে যেতে পারে বা রক্তপাত হতে পারে।
দাঁতের সংযোগস্থল পার হওয়ার সময় সামান্য চাপ লাগতে পারে, কিন্তু তীব্র ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক নয়। ফাঁক খুব শক্ত হলে জোর না করে অন্য ধরনের ফ্লস বা ডেন্টাল সহায়তা সম্পর্কে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।
৩. দাঁতের পাশে ‘C’ আকৃতি তৈরি করুন
ফ্লস দাঁতের মাঝখানে ঢোকার পর সেটিকে একটি দাঁতের পাশে বাঁকিয়ে ‘C’ আকৃতির মতো ধরুন। এরপর ফ্লসটি দাঁতের পাশ ঘেঁষে মাড়ির কিনারা পর্যন্ত আলতোভাবে নামান। তারপর ছোট ছোট উপর-নিচের গতিতে দাঁতের পাশ পরিষ্কার করুন।
এরপর একই ফাঁকের অন্য দাঁতের পাশেও একইভাবে করুন। শুধু দাঁতের মাঝখানে ফ্লস ঢুকিয়ে বের করে নিলে সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয় না; দুই পাশের দাঁতের গায়ে ফ্লস ঘষে পরিষ্কার করাই গুরুত্বপূর্ণ।
৪. মাড়ির কিনারা পর্যন্ত পরিষ্কার করুন
দাঁতের মাড়ির কাছের অংশে প্লাক জমার প্রবণতা বেশি। তাই ফ্লসটি মাড়ির নিচে খুব সামান্য অংশ পর্যন্ত আলতোভাবে নিয়ে যেতে পারেন, কিন্তু মাড়ির ভেতরে জোর করে ঢোকাবেন না। লক্ষ্য হবে দাঁতের পাশ পরিষ্কার করা, মাড়িতে চাপ দেওয়া নয়।
প্রতিটি দাঁতের জন্য ফ্লসের পরিষ্কার অংশ ব্যবহার করুন। আঙুলে পেঁচানো ফ্লস একটু একটু করে এগিয়ে নিলে নতুন পরিষ্কার অংশ পাওয়া যায়।
৫. পেছনের দাঁতও পরিষ্কার করুন
অনেকেই সামনের দাঁতের মাঝখান পরিষ্কার করলেও শেষের মোলার দাঁত বাদ দেন। শেষ দাঁতের পেছনের দিক এবং শেষ দুই দাঁতের মাঝখানেও খাবার ও প্লাক জমতে পারে। মুখের সব দাঁতের ফাঁক ধীরে ধীরে পরিষ্কার করার চেষ্টা করুন।
৬. ব্যবহারের পর ফ্লস ফেলে দিন
একবার ব্যবহার করা ফ্লস ধুয়ে আবার ব্যবহার না করাই ভালো। ব্যবহারের পর ফ্লস দুর্বল ও নোংরা হয়ে যায়। নতুনবার পরিষ্কার ফ্লস ব্যবহার করুন এবং ফ্লসটি পরিষ্কার, শুকনো জায়গায় রাখুন।
কখন Flossing করবেন—ব্রাশের আগে, নাকি পরে?
Flossing করার নির্দিষ্ট একটি বাধ্যতামূলক সময় নেই। তবে অনেকের জন্য রাতে ব্রাশ করার আগে Flossing করা সুবিধাজনক, কারণ এতে দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার ও প্লাক আলগা হয় এবং পরে ব্রাশ করলে মুখ আরও ভালোভাবে পরিষ্কার করা যায়।
আবার কেউ ব্রাশ করার পর Flossing করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত করা এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা। দিনে একবার ভালোভাবে Flossing করা সাধারণত যথেষ্ট; খাবার আটকে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত পরিষ্কার করা যায়।
Flossing করার সময় মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে কী করবেন?
দীর্ঘদিন Flossing না করলে শুরুতে সামান্য রক্তপাত হতে পারে। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে মাড়িতে প্লাক জমে প্রদাহ তৈরি হওয়া। আবার অতিরিক্ত জোরে ফ্লস করা, ভুল কোণে ফ্লস ঢোকানো বা মাড়িতে আঘাত লাগার কারণেও রক্ত পড়তে পারে।
রক্ত দেখেই Flossing পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া সবসময় সমাধান নয়। বরং আলতোভাবে সঠিক কৌশলে করার চেষ্টা করুন। তবে কয়েকদিন নিয়মিত করার পরও রক্তপাত না কমলে, মাড়ি ফুলে গেলে, পুঁজ, দুর্গন্ধ, ব্যথা বা দাঁত নড়ার অনুভূতি থাকলে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা জরুরি। সঠিক কারণ জানতে নিজে থেকে রোগ নির্ণয় বা ওষুধ গ্রহণ করবেন না।
Flossing করার সাধারণ ভুলগুলো কী?
খুব জোরে ফ্লস করা
ফ্লস দ্রুত বা জোরে মাড়িতে ঢোকালে কাটা, ব্যথা ও রক্তপাত হতে পারে। ধীরে, নিয়ন্ত্রিতভাবে ফ্লস ব্যবহার করুন।
শুধু দাঁতের মাঝখানে ফ্লস ঢুকিয়ে বের করা
এভাবে দাঁতের পাশের প্লাক পরিষ্কার হয় না। প্রতিটি দাঁতের পাশে ‘C’ আকৃতি করে উপর-নিচে পরিষ্কার করতে হবে।
একই অংশের ফ্লস দিয়ে সব দাঁত পরিষ্কার করা
এতে ময়লা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। ফ্লসের পরিষ্কার অংশ ধাপে ধাপে ব্যবহার করুন।
পেছনের দাঁত বাদ দেওয়া
মোলার দাঁতের ফাঁকেও খাবার জমে। পুরো মুখের সব দাঁতের মাঝখান পরিষ্কার করা দরকার।
রক্ত পড়লে দীর্ঘদিন অবহেলা করা
বারবার রক্ত পড়া মাড়ির সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। সঠিক কারণ জানতে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।
ব্রেসেস, ব্রিজ বা ক্রাউন থাকলে Flossing কীভাবে করবেন?
ব্রেসেসের তার ও ব্র্যাকেটের কারণে সাধারণ ফ্লস সরাসরি ব্যবহার করা কঠিন হতে পারে। এই ক্ষেত্রে floss threader, orthodontic floss বা interdental brush ব্যবহার করা হয়। তারের ওপর জোরে টান না দিয়ে ব্র্যাকেটের নিচে ও দাঁতের মাঝখানে ধীরে পরিষ্কার করতে হবে।
ব্রিজ থাকলে কৃত্রিম দাঁতের নিচের অংশে বিশেষ ফ্লস বা threader প্রয়োজন হতে পারে। ক্রাউন বা ভেনিয়ারের চারপাশেও মাড়ির কিনারায় আলতোভাবে পরিষ্কার করা গুরুত্বপূর্ণ। কোন উপকরণ আপনার জন্য উপযুক্ত তা চিকিৎসা করা ডেন্টিস্টের কাছ থেকে শিখে নিন।
শিশুদের Flossing-এর সঠিক নিয়ম
শিশুর দুটি দাঁত পাশাপাশি লেগে গেলে তাদের মাঝখানে খাবার আটকে থাকতে পারে। ছোট শিশুরা সাধারণত নিজের হাতে যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে Flossing করতে পারে না, তাই অভিভাবককে সাহায্য করতে হয়।
শিশুর জন্য ফ্লস করার সময়:
- নরম হাতে ধীরে কাজ করুন
- মাড়িতে চাপ দেবেন না
- শিশুকে ভয় না দেখিয়ে সহজ ভাষায় বোঝান
- প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে অভ্যাস তৈরি করুন
- দাঁতে ব্যথা, গর্ত বা মাড়ির রক্তপাত থাকলে শিশুদের ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন
Flossing কি Scaling-এর বিকল্প?
না। Flossing দাঁতের মাঝখানের নরম প্লাক ও খাবারের কণা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু প্লাক শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস বা দাঁতের পাথর হয়ে গেলে তা সাধারণ ফ্লস বা ব্রাশে উঠে যায় না। তখন পেশাদার Scaling ও polishing প্রয়োজন হতে পারে।
দাঁতে পাথর, মাড়ি থেকে রক্তপাত, হলদে দাগ বা মুখে দুর্গন্ধ থাকলে গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ পরীক্ষা করাতে পারেন। ক্লিনিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত সেটআপ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে স্কেলিংয়ের নিয়মিত মূল্য ৳১,৫০০ এবং অফার মূল্য ৳৯৯৯; এর সঙ্গে পলিশিং ও ফুল মাউথ চেকআপ plus কনসালটেশন ফ্রি থাকার তথ্য দেওয়া আছে। অফারের বর্তমানতা অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে নিশ্চিত করে নিন।
গাজীপুরে Flossing ও মাড়ির পরামর্শ কোথায় পাব?
আপনি যদি গাজীপুর, জয়দেবপুর বা শিমুলতলী রোডের আশপাশে দাঁত ও মাড়ির পরিচর্যার জন্য ডেন্টিস্ট খুঁজে থাকেন, ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি সুবিধাজনক বিকল্প। এখানে ডা. আতিয়া শাহনাজ—বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকসে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত—রোগীদের পরামর্শ দেন।
ক্লিনিকের লক্ষ্য হলো আধুনিক চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং রোগীবান্ধব সেবা দেওয়া। দাঁত ও মাড়ির সাধারণ চিকিৎসা, স্কেলিং ও পলিশিং, মাড়ির চিকিৎসা, ফিলিং এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডেন্টাল পরীক্ষা এখানে করা হয়। চিকিৎসার আগে পরীক্ষা করে কোন সেবা প্রয়োজন তা বোঝানো হয়, যাতে রোগী সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্য সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন।
ঢাকার ক্লিনিকে যাতায়াতের সময় ও অতিরিক্ত খরচ এড়িয়ে গাজীপুরেই মানসম্মত, সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে প্রয়োজনীয় ডেন্টাল পরামর্শ নেওয়া অনেক রোগীর জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। তবে আপনার নির্দিষ্ট সমস্যার চিকিৎসা ও চূড়ান্ত খরচ দাঁত ও মাড়ি পরীক্ষা করার পরই নির্ধারণ করা উচিত।
Flossing, Scaling ও অন্যান্য সেবার খরচের ধারণা
নিচের তালিকায় ক্লিনিকের ডেটাবেসে থাকা কিছু মূল্য দেওয়া হলো। চিকিৎসার ধরন, দাঁতের অবস্থা ও প্রয়োজনীয় কাজ অনুযায়ী চূড়ান্ত খরচ পরিবর্তিত হতে পারে।
| সেবা | নিয়মিত মূল্য | অফার মূল্য/উল্লেখিত মূল্য | কী অন্তর্ভুক্ত বা নোট |
|---|---|---|---|
| স্কেলিং ও পলিশিং | ৳১,৫০০ | ৳৯৯৯ | পলিশিং এবং ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশন ফ্রি—অফার প্রযোজ্য থাকলে |
| Tooth Color Matching Filling | উল্লেখ নেই | ৳৮৯৯ | দাঁতের স্বাভাবিক রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ফিলিং |
| দাঁতের ফিলিং | উল্লেখ নেই | ৳৮৯৯ | দাঁতের অবস্থা অনুযায়ী মূল্য নিশ্চিত করতে হবে |
| রুট ক্যানাল + পার্মানেন্ট ফিলিং | উল্লেখ নেই | ৳২,৯৯৯ | চিকিৎসকের পরীক্ষা ও কেসের জটিলতা অনুযায়ী নিশ্চিত করতে হবে |
Flossing সাধারণত ঘরে করা দৈনন্দিন পরিচর্যার অংশ, কিন্তু সঠিক কৌশল শেখা বা মাড়ির সমস্যা পরীক্ষা করার জন্য ডেন্টাল কনসালটেশন প্রয়োজন হতে পারে। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস-এ চিকিৎসার আগে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া যায় এবং সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে কোন সেবা দরকার তা বোঝার সুযোগ থাকে।
সংক্ষেপে
- দিনে একবার ধীরে ও সঠিক নিয়মে Flossing করা ভালো।
- ফ্লসকে প্রতিটি দাঁতের পাশে ‘C’ আকৃতিতে ধরে মাড়ির কিনারা পর্যন্ত পরিষ্কার করুন।
- জোরে ফ্লস করলে মাড়িতে আঘাত ও রক্তপাত হতে পারে।
- নিয়মিত রক্তপাত, ফোলা, ব্যথা বা মুখের দুর্গন্ধ থাকলে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন।
- দাঁতের পাথর পরিষ্কার করতে Flossing নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাদার Scaling লাগতে পারে।
কখন দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেবেন?
মাড়ি থেকে দীর্ঘদিন রক্ত পড়া, মুখ বা গাল ফুলে যাওয়া, তীব্র দাঁতের ব্যথা, পুঁজ, দাঁত নড়ার অনুভূতি, মুখ খুলতে অসুবিধা, গিলতে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে অবহেলা করবেন না। শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত বাড়তে থাকা মুখের ফোলা হলে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
হালকা রক্তপাত বা দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকার কারণ নিজে থেকে নিশ্চিত করা ঠিক নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা, Scaling বা অন্য চিকিৎসা লাগতে পারে।
গাজীপুরে Flossing ও দাঁতের যত্নের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার রাখার সঠিক পদ্ধতি জানতে, মাড়ির রক্তপাতের কারণ পরীক্ষা করতে বা Scaling প্রয়োজন কি না বুঝতে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ যোগাযোগ করতে পারেন।
- ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর
- চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ফোন/WhatsApp 01601002588
আপনার দাঁত ও মাড়ির অবস্থা পরীক্ষা করে উপযুক্ত পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে রোগীবান্ধব ডেন্টাল সেবা পেতে আজই ফোন বা WhatsApp-এর মাধ্যমে সময় জেনে নিন।
গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ
আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।
- ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
- ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
- ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
- ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে
ডা. আতিয়া শাহনাজ
বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন
“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন:Flossing কীভাবে করবেন?+
প্রায় ৪৫ সেন্টিমিটার ডেন্টাল ফ্লস নিয়ে দুই হাতের আঙুলে পেঁচিয়ে দাঁতের মাঝখানে আলতোভাবে প্রবেশ করান। প্রতিটি দাঁতের পাশে ফ্লসকে ‘C’ আকৃতিতে ধরে মাড়ির কিনারা পর্যন্ত পরিষ্কার করুন, তবে জোরে চাপ দেবেন না।
প্রশ্ন:প্রতিদিন কতবার Flossing করা উচিত?+
সাধারণত দিনে একবার Flossing করা যথেষ্ট। রাতে ব্রাশ করার আগে বা পরে নিয়মিত করলে দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা প্লাক ও খাবারের কণা পরিষ্কার রাখতে সুবিধা হয়।
প্রশ্ন:Flossing করলে মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে কেন?+
দীর্ঘদিন Flossing না করলে মাড়িতে প্রদাহ বা সংবেদনশীলতা থাকায় শুরুতে রক্তপাত হতে পারে। কয়েকদিন সঠিকভাবে করার পরও রক্তপাত চলতে থাকলে, বা ব্যথা ও ফোলা থাকলে, ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন।
প্রশ্ন:Flossing কি দাঁতের ফাঁক বড় করে?+
সঠিক নিয়মে Flossing করলে দাঁতের ফাঁক বড় হয় না। বরং এটি দাঁতের মাঝের প্লাক ও খাবারের কণা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে; জোরে বা ভুলভাবে ফ্লস করলে মাড়িতে আঘাত লাগতে পারে।
প্রশ্ন:ব্রেসেস থাকলে কীভাবে Flossing করব?+
ব্রেসেসের তার ও ব্র্যাকেটের নিচে পরিষ্কার করতে বিশেষ orthodontic floss, floss threader বা interdental brush ব্যবহার করা যায়। আপনার ব্রেসেসের ধরন অনুযায়ী ডেন্টিস্টের কাছ থেকে সঠিক পদ্ধতি শিখে নেওয়া ভালো।
প্রশ্ন:শিশুদের Flossing কখন থেকে করানো উচিত?+
দুটি দাঁত পাশাপাশি লাগতে শুরু করলেই শিশুর দাঁতের মাঝখান পরিষ্কার করা দরকার হতে পারে। ছোট শিশুরা নিজে দক্ষভাবে ফ্লস করতে পারে না, তাই অভিভাবকের সহায়তায় আলতোভাবে পরিষ্কার করা উচিত।
প্রশ্ন:গাজীপুরে Flossing সম্পর্কে পরামর্শ কোথায় পাব?+
গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ দাঁত ও মাড়ির পরীক্ষা এবং মৌখিক পরিচর্যা সম্পর্কে পরামর্শ নেওয়া যায়। ক্লিনিকটি জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শিমুলতলী রোডে অবস্থিত; অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ০১৬০১০০২৫৮৮ নম্বরে ফোন বা WhatsApp করতে পারেন।
সিরিয়াল নিতে চান?
শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588
💬 WhatsApp করুন