শিশুদের দাঁত ওঠার সময় কী কী সমস্যা হতে পারে?

শিশুর দাঁত ওঠার সময় মাড়ির অস্বস্তি, লালা পড়া ও খিটখিটে মেজাজ স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু লক্ষণে দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ প্রয়োজন।

🕐 পড়তে সময়: ৮ মিনিট✍️ লেখক: Flora Dental Editorial Team
শিশুদের দাঁত ওঠার সময় কী কী সমস্যা হতে পারে? — ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস

শিশুদের দাঁত ওঠার সময় কী কী সমস্যা হতে পারে?

শিশুদের দাঁত ওঠার সময় মাড়িতে অস্বস্তি, অতিরিক্ত লালা পড়া, মুখে কিছু কামড়ানোর চেষ্টা, খিটখিটে মেজাজ ও ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে। তবে উচ্চ জ্বর, শ্বাসকষ্ট, বারবার বমি বা তীব্র ডায়রিয়াকে শুধু দাঁত ওঠার স্বাভাবিক সমস্যা ধরে নেওয়া উচিত নয়—এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

শিশুর প্রথম দাঁত সাধারণত প্রায় ৬ মাস বয়সে উঠতে শুরু করে, যদিও ৪ থেকে ১২ মাসের মধ্যে যেকোনো সময় শুরু হওয়া স্বাভাবিক হতে পারে। দাঁত ওঠা একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া হলেও শিশুর জন্য এটি অস্বস্তিকর হতে পারে। বাবা-মায়ের প্রধান দায়িত্ব হলো শিশুর লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা, নিরাপদে অস্বস্তি কমানো এবং প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই মুখের যত্ন শুরু করা।

সংক্ষেপে

  • দাঁত ওঠার সময় মাড়ি ফুলে যাওয়া, লালা পড়া ও কিছু কামড়ানোর প্রবণতা সাধারণ।
  • হালকা অস্বস্তি স্বাভাবিক হলেও বেশি জ্বর, পানিশূন্যতা বা শ্বাসকষ্ট দাঁত ওঠার স্বাভাবিক লক্ষণ নয়।
  • পরিষ্কার আঙুল দিয়ে মাড়ি আলতোভাবে মালিশ এবং ঠান্ডা teething ring কিছুটা আরাম দিতে পারে।
  • প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই নরম ব্রাশ বা পরিষ্কার গজ দিয়ে মুখের পরিচর্যা শুরু করা উচিত।
  • সমস্যা বেশি হলে বা অভিভাবকের উদ্বেগ থাকলে শিশুদের ডেন্টিস্টের পরীক্ষা করানো নিরাপদ।

শিশুর দাঁত ওঠা সাধারণত কখন শুরু হয়?

দুধদাঁত শিশুর চোয়ালের ভেতরে আগে থেকেই তৈরি হতে থাকে। পরে ধীরে ধীরে মাড়ি ভেদ করে বাইরে আসে। সাধারণত নিচের সামনের দাঁত আগে ওঠে। এরপর ওপরের সামনের দাঁত এবং ধীরে ধীরে পাশের দাঁতগুলো উঠতে পারে। অধিকাংশ শিশুর ২০টি দুধদাঁত প্রায় ২ থেকে ৩ বছর বয়সের মধ্যে উঠে যায়।

প্রতিটি শিশুর দাঁত ওঠার সময় একরকম নয়। পরিবারের কারও দাঁত দেরিতে উঠলে শিশুর ক্ষেত্রেও কিছুটা দেরি হতে পারে। একটি দাঁত কয়েক সপ্তাহ আগে বা পরে উঠলে সাধারণত তা নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই। তবে শিশুর সামগ্রিক বৃদ্ধি, খাওয়া, ঘুম বা মুখের গঠনে অন্য কোনো সমস্যা থাকলে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

দাঁত ওঠার সময় শিশুর কী কী সমস্যা হতে পারে?

১. মাড়ি ফুলে যাওয়া ও সংবেদনশীলতা

দাঁত মাড়ির ভেতর থেকে বের হওয়ার সময় ওই অংশে চাপ তৈরি হয়। ফলে মাড়ি লাল, সামান্য ফুলে যাওয়া বা স্পর্শে সংবেদনশীল হতে পারে। শিশু খাওয়ার সময় অস্বস্তি দেখাতে পারে বা বোতল, চামচ কিংবা মায়ের বুকের দুধ নিতে অনীহা প্রকাশ করতে পারে।

মাড়ির একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ছোট সাদা অংশ দেখা যেতে পারে। এটি দাঁতের মাথা মাড়ি ভেদ করে বের হওয়ার লক্ষণ হতে পারে। তবে মাড়িতে পুঁজ, অতিরিক্ত রক্তপাত বা বড় ফোলা দেখা গেলে সেটিকে শুধু দাঁত ওঠার সমস্যা ধরে না নিয়ে পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

২. অতিরিক্ত লালা পড়া

দাঁত ওঠার সময় অনেক শিশুর লালা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি পড়ে। শিশুরা তখন হাত, খেলনা বা কাপড় মুখে দেওয়ার চেষ্টা করে, যার ফলে লালার পরিমাণ আরও বেশি মনে হতে পারে। লালা মুখের চারপাশে জমে থাকলে থুতনি, গাল ও ঘাড়ের কাছে লালচে র‍্যাশ তৈরি হতে পারে।

পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে আলতোভাবে লালা মুছে জায়গাটি শুকনো রাখুন। ঘষে ঘষে পরিষ্কার করবেন না, কারণ এতে ত্বকের জ্বালা বাড়তে পারে। র‍্যাশ ছড়িয়ে পড়লে বা ঘা হলে শিশুর চিকিৎসক কিংবা ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।

৩. কিছু কামড়ানোর প্রবণতা

মাড়ির চাপ বা চুলকানির মতো অনুভূতির কারণে শিশু আঙুল, খেলনা, চামচ বা অন্য জিনিস কামড়াতে পারে। এটি সাধারণ আচরণ হলেও সব বস্তু শিশুর জন্য নিরাপদ নয়। ছোট অংশ খুলে যেতে পারে এমন খেলনা, ধারালো জিনিস, শক্ত প্লাস্টিক বা অপরিষ্কার বস্তু মুখে দেওয়া বিপজ্জনক।

শিশুর বয়স উপযোগী, পরিষ্কার ও নিরাপদ teething ring ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ব্যবহারের আগে প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা দেখুন এবং প্রতিবার ব্যবহারের পর পরিষ্কার করুন। খুব শক্ত বা ধারালো কোনো বস্তু দিয়ে মাড়ি ঘষা উচিত নয়।

৪. খিটখিটে মেজাজ ও কান্না

মাড়ির অস্বস্তির কারণে শিশু স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি কান্না করতে পারে, কোলে থাকতে চাইতে পারে বা সহজে বিরক্ত হতে পারে। অস্বস্তি সাধারণত দাঁত বের হওয়ার আগে কয়েক দিন বা কিছু সময় বেশি থাকতে পারে। তবে কান্না দীর্ঘসময় চললে শুধু দাঁত ওঠাকে কারণ ধরে নেওয়া উচিত নয়।

ক্ষুধা, ঘুমের সমস্যা, কানের অস্বস্তি, সর্দি, গ্যাস বা অন্য অসুস্থতাও শিশুর কান্নার কারণ হতে পারে। শিশুর আচরণে হঠাৎ বড় পরিবর্তন হলে এবং শান্ত না হলে চিকিৎসা পরামর্শ নিন।

৫. ঘুমের ব্যাঘাত

মাড়ির ব্যথা বা অস্বস্তির কারণে রাতে শিশু বারবার জেগে উঠতে পারে। ঘুমের সময় পরিবর্তন, দিনের বেলায় অতিরিক্ত কান্না বা ঘুম ঘুম ভাব দেখা দিতে পারে। শিশুকে শান্ত পরিবেশে রাখুন এবং ঘুমের আগে নিরাপদভাবে মাড়ির অস্বস্তি কমানোর চেষ্টা করুন।

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘুমের ওষুধ, দাঁত ওঠার জেল বা কোনো ঘরোয়া মিশ্রণ ব্যবহার করবেন না। কিছু পণ্যে শিশুর জন্য ক্ষতিকর উপাদান থাকতে পারে।

৬. খাওয়ার ধরনে পরিবর্তন

মাড়ি সংবেদনশীল হলে শিশু শক্ত খাবার বা চামচে খেতে অনীহা দেখাতে পারে। কেউ কেউ অল্প অল্প করে খেতে চায়, আবার কেউ স্তন্যপান বা বোতল খাওয়ার সময় বিরক্ত হয়। শিশুর বয়স অনুযায়ী নরম খাবার দেওয়া এবং পর্যাপ্ত তরল নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে শিশু যদি একেবারেই খেতে বা পান করতে না পারে, প্রস্রাব কমে যায়, মুখ শুকিয়ে যায় বা অস্বাভাবিক নিস্তেজ হয়ে পড়ে, দ্রুত চিকিৎসা পরামর্শ নিন।

দাঁত ওঠার সময় কি জ্বর, সর্দি বা ডায়রিয়া হয়?

দাঁত ওঠার সময় শিশুর শরীর কিছুটা গরম মনে হতে পারে। কিন্তু বেশি জ্বর, বারবার পাতলা পায়খানা, বমি, কাশি বা নাক দিয়ে পানি পড়াকে দাঁত ওঠার স্বাভাবিক কারণ বলা যায় না। এই সময় শিশুরা বিভিন্ন জিনিস মুখে দেওয়ায় ভাইরাস বা জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনাও থাকে।

তাই শিশুর তাপমাত্রা মাপুন এবং অন্যান্য লক্ষণ লক্ষ্য করুন। জ্বর বেশি হলে, দীর্ঘস্থায়ী হলে বা শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা জ্বরের ওষুধ দেবেন না।

দাঁত ওঠার অস্বস্তি নিরাপদভাবে কীভাবে কমাবেন?

শিশুর অস্বস্তি কমানোর জন্য কিছু নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণ করা যায়:

  • হাত ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার আঙুল দিয়ে মাড়িতে আলতোভাবে মালিশ করুন।
  • পরিষ্কার ও বয়স উপযোগী teething ring কিছুক্ষণ ঠান্ডা করে দিতে পারেন; একেবারে বরফ জমিয়ে শক্ত করে দেবেন না।
  • শিশুর লালা পরিষ্কার করে মুখের চারপাশ শুকনো রাখুন।
  • খেলনা ও শিশুর হাতে থাকা জিনিস পরিষ্কার রাখুন।
  • বুকের দুধ বা বয়স উপযোগী খাবার ও তরল গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করুন।
  • অস্বস্তি বেশি হলে ওষুধ বা জেল ব্যবহারের আগে ডেন্টিস্ট বা শিশুর চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাড়িতে সরাসরি বরফ, অ্যালকোহল, মধু, লবঙ্গের তেল বা অজানা ভেষজ পদার্থ লাগাবেন না। এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু দেওয়া নিরাপদ নয়। একইভাবে গলায় ঝোলানো teething necklace বা ছোট দানা-যুক্ত অলংকার শ্বাসরোধের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

প্রথম দাঁত ওঠার পর মুখের যত্ন কীভাবে করবেন?

প্রথম দাঁত ওঠার আগেই শিশুর মাড়ি পরিষ্কার নরম কাপড় বা গজ দিয়ে আলতোভাবে মুছে দেওয়া যায়। প্রথম দাঁত দেখা দেওয়ার পর নরম শিশুবান্ধব ব্রাশ ব্যবহার করুন। টুথপেস্টের ধরন ও পরিমাণ শিশুর বয়স অনুযায়ী নির্ধারণের জন্য ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

ঘুমানোর সময় দুধের বোতল মুখে রেখে দেওয়া উচিত নয়। দুধ বা মিষ্টি পানীয় দাঁতের ওপর দীর্ঘসময় লেগে থাকলে দুধদাঁতে দ্রুত ক্ষয় হতে পারে। শিশুর খাবারে অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি পানীয় কমানো, নিয়মিত ব্রাশের অভ্যাস তৈরি করা এবং বাবা-মায়ের সহায়তায় দাঁত পরিষ্কার করা জরুরি।

প্রথম দাঁত ওঠার পর বা শিশুর প্রথম জন্মদিনের মধ্যে ডেন্টাল চেকআপ করানো ভালো। এতে দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির সমস্যা, দাঁতের গঠন এবং মুখের পরিচর্যার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আগেই পরামর্শ পাওয়া যায়।

কখন শিশুকে দ্রুত ডেন্টিস্ট বা চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে?

নিচের কোনো লক্ষণ থাকলে অপেক্ষা না করে পেশাদার পরামর্শ নিন:

  • উচ্চ বা দীর্ঘস্থায়ী জ্বর
  • শ্বাস নিতে বা গিলতে কষ্ট
  • মুখ, গাল বা চোয়ালে দ্রুত বাড়তে থাকা ফোলা
  • মাড়ি থেকে অস্বাভাবিক রক্তপাত বা পুঁজ
  • বারবার বমি বা ডায়রিয়া
  • প্রস্রাব কমে যাওয়া, মুখ শুকিয়ে যাওয়া বা পানিশূন্যতার লক্ষণ
  • শিশুর একেবারেই খেতে বা পান করতে না পারা
  • দাঁত ওঠার বয়স পেরিয়েও দাঁত না ওঠা নিয়ে উদ্বেগ
  • দাঁত ভেঙে যাওয়া, আঘাত পাওয়া বা মুখে কোনো বস্তু আটকে যাওয়া

সঠিক কারণ জানতে শিশুর মুখ ও মাড়ি পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। অনলাইনে লক্ষণ দেখে নিজে থেকে রোগ নির্ণয় বা ওষুধ শুরু করা নিরাপদ নয়।

গাজীপুরে শিশুদের দাঁতের পরামর্শ কোথায় পাওয়া যাবে?

শিশুর দাঁত ওঠার সময় কোথায় দেখাবেন—এটি নিয়ে অভিভাবকদের অনেকেরই দুশ্চিন্তা থাকে। গাজীপুর, জয়দেবপুর ও শিমুলতলী রোডের আশপাশে শিশুদের দাঁতের প্রাথমিক পরীক্ষা ও পরামর্শের জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি সুবিধাজনক বিকল্প। এখানে শিশুদের দাঁতের চিকিৎসা ও পরামর্শের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী সাধারণ ডেন্টাল পরীক্ষা করা হয়।

ক্লিনিকে ডা. আতিয়া শাহনাজ—বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল—পরামর্শ দেন। তিনি মুখ ও দাঁতের সার্জন এবং এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকসে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। শিশুর ক্ষেত্রে মাড়ির অবস্থা, দাঁত ওঠার অগ্রগতি ও মুখের স্বাস্থ্য দেখে পরবর্তী পরামর্শ দেওয়া হয়।

ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসে আধুনিক সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং রোগীবান্ধব সেবা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়। গাজীপুরে মানসম্মত চিকিৎসা সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে পাওয়ার সুবিধা থাকায় অভিভাবকেরা আগে থেকেই খরচ ও প্রয়োজনীয় সেবা সম্পর্কে জানতে পারেন। ঢাকার তুলনায় যাতায়াতের ঝামেলা কম রেখে স্থানীয়ভাবে শিশুর ডেন্টাল পরামর্শ নেওয়ার সুযোগও পাওয়া যায়।

শিশুদের দাঁতের সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চিকিৎসা সেবার পেজ এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেজ দেখতে পারেন।

শিশুদের দাঁত ওঠার সময় খরচ কত হতে পারে?

দাঁত ওঠার স্বাভাবিক অস্বস্তির জন্য সবসময় আলাদা চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না। তবে মাড়ির ফোলা, দাঁতের ক্ষয়, আঘাত, সংক্রমণ বা অন্য সমস্যা থাকলে পরীক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। চূড়ান্ত খরচ শিশুর বয়স, সমস্যার ধরন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসার জটিলতার ওপর নির্ভর করে।

সেবাকী জন্য করা হয়খরচ সম্পর্কে তথ্য
শিশুদের ডেন্টাল পরামর্শদাঁত, মাড়ি ও মুখের প্রাথমিক মূল্যায়নপরীক্ষার পর নির্ধারিত হতে পারে
ডেন্টাল এক্স-রে/ডায়াগনস্টিকপ্রয়োজন হলে দাঁত বা চোয়াল মূল্যায়নপ্রয়োজন ও পরীক্ষার ধরন অনুযায়ী
দাঁতের ফিলিংক্ষয় হওয়া দুধদাঁত সংরক্ষণের জন্যচিকিৎসকের মূল্যায়নের পর
শিশুদের দাঁতের অন্যান্য চিকিৎসাসমস্যা ও চিকিৎসার ধরন অনুযায়ীসরাসরি ক্লিনিকে জানতে হবে

ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ চিকিৎসার প্রয়োজন ও সম্ভাব্য খরচ সম্পর্কে আগে আলোচনা করা হয়। লক্ষ্য হলো গাজীপুরে মানসম্মত, নিরাপদ ও রোগীবান্ধব সেবা সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে দেওয়া—তবে প্রতিটি শিশুর চিকিৎসা পরিকল্পনা পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত করা যায় না।

কখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেবেন?

শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার পর একটি প্রাথমিক ডেন্টাল ভিজিট নেওয়া ভালো। শিশুর মাড়িতে অস্বাভাবিক ফোলা, দাঁতের রঙ বদলে যাওয়া, খেতে সমস্যা বা কান্না দীর্ঘস্থায়ী হলে আগে থেকেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন। জরুরি লক্ষণ যেমন মুখ দ্রুত ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট বা অনিয়ন্ত্রিত রক্তপাত হলে নিকটস্থ জরুরি চিকিৎসা নিন।

গাজীপুরে শিশুদের দাঁতের পরামর্শের জন্য যোগাযোগ

ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)

  • ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর
  • চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা
  • অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ফোন/WhatsApp 01601002588
  • চিকিৎসক: ডা. আতিয়া শাহনাজ

শিশুর দাঁত ওঠার সময় কিছু অস্বস্তি স্বাভাবিক হলেও প্রতিটি শিশুর লক্ষণ একরকম নয়। তাই সন্দেহ থাকলে নিজে থেকে ওষুধ না দিয়ে শিশুর মুখ ও মাড়ি পরীক্ষা করানোই নিরাপদ। গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে মানসম্মত ডেন্টাল পরামর্শের জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

আজই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে WhatsApp বা ফোন করুন: 01601002588। চেম্বারটি শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুরে; সেবা পাওয়া যায় প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ

আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।

  • ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
  • ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
  • ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
  • ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার
ডা. আতিয়া শাহনাজ

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে

ডা. আতিয়া শাহনাজ

বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন

“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন:শিশুর দাঁত ওঠা সাধারণত কত মাসে শুরু হয়?+

বেশিরভাগ শিশুর প্রথম দুধদাঁত প্রায় ৬ মাস বয়সে উঠতে শুরু করে, তবে কিছু শিশুর ক্ষেত্রে ৪ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শুরু হতে পারে। সময় কিছুটা আগে-পরে হওয়া স্বাভাবিক; দাঁত ওঠার সময় নিয়ে উদ্বেগ থাকলে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

প্রশ্ন:দাঁত ওঠার সময় শিশুর জ্বর হওয়া কি স্বাভাবিক?+

দাঁত ওঠার সময় শিশুর শরীর সামান্য গরম মনে হতে পারে, কিন্তু সাধারণত বেশি জ্বর দাঁত ওঠার সরাসরি লক্ষণ নয়। তাপমাত্রা বেশি হলে বা সঙ্গে কাশি, বমি, ডায়রিয়া, দুর্বলতা কিংবা শ্বাসকষ্ট থাকলে অন্য কারণ খুঁজতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রশ্ন:শিশুর দাঁত ওঠার সময় মাড়ির ব্যথা কীভাবে কমানো যায়?+

পরিষ্কার আঙুল দিয়ে আলতোভাবে মাড়ি মালিশ করা এবং ঠান্ডা, পরিষ্কার teething ring ব্যবহার কিছু শিশুর অস্বস্তি কমাতে পারে। বরফ সরাসরি মাড়িতে দেওয়া, অজানা জেল ব্যবহার বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ দেওয়া উচিত নয়।

প্রশ্ন:দাঁত ওঠার সময় শিশুর লালা বেশি পড়লে কী করব?+

লালা পড়া দাঁত ওঠার সময় খুব সাধারণ বিষয়। শিশুর মুখ ও থুতনির নিচের অংশ পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন, যাতে ত্বকে র‍্যাশ না হয়; র‍্যাশ বাড়লে ডেন্টিস্ট বা শিশুর চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রশ্ন:শিশুর দাঁত ওঠার সময় ডায়রিয়া হলে কি দাঁত ওঠাই কারণ?+

দাঁত ওঠার সময় শিশুর হাতে যা পায় তা মুখে দেওয়ার কারণে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু ডায়রিয়াকে শুধু দাঁত ওঠার স্বাভাবিক লক্ষণ ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বারবার পাতলা পায়খানা, পানিশূন্যতার লক্ষণ বা বমি থাকলে দ্রুত চিকিৎসা পরামর্শ প্রয়োজন।

প্রশ্ন:শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার পর কবে ডেন্টিস্ট দেখানো উচিত?+

প্রথম দাঁত ওঠার পর বা শিশুর প্রথম জন্মদিনের মধ্যে ডেন্টিস্ট দেখানো ভালো। গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ শিশুদের দাঁতের পরামর্শ ও চিকিৎসা সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে পাওয়া যায়।

প্রশ্ন:গাজীপুরে শিশুদের দাঁতের চিকিৎসা কোথায় করাব?+

জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ শিশুদের দাঁতের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। ঠিকানা শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর; অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 01601002588 নম্বরে ফোন বা WhatsApp করুন।

শেয়ার করুন:FacebookWhatsApp

সিরিয়াল নিতে চান?

শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588

💬 WhatsApp করুন