শিশুর দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম: বয়সভেদে গাইড

শিশুর দাঁত সুস্থ রাখতে প্রথম দাঁত ওঠার সময় থেকেই সঠিকভাবে ব্রাশ করানো, উপযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার এবং নিয়মিত ডেন্টিস্টের পরামর্শ জরুরি।

🕐 পড়তে সময়: ৮ মিনিট✍️ লেখক: Flora Dental Editorial Team
শিশুর দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম: বয়সভেদে গাইড — ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস

শিশুর দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম: বয়সভেদে সম্পূর্ণ গাইড

শিশুর দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম হলো প্রথম দাঁত ওঠার সময় থেকেই দিনে অন্তত দুইবার নরম ব্রাশ ও বয়স উপযোগী ফ্লোরাইড টুথপেস্ট ব্যবহার করা। বাবা-মাকে শিশুর ব্রাশ করার সময় পাশে থাকতে হবে এবং ছোট শিশু নিজে ব্রাশ করলেও শেষে দাঁতগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে দিতে হবে।

শিশুর দুধদাঁত সাময়িক হলেও এগুলো অবহেলা করা ঠিক নয়। দুধদাঁত খাবার চিবানো, কথা বলা এবং স্থায়ী দাঁতের সঠিক জায়গা তৈরিতে সাহায্য করে। তাই দাঁত ওঠার পর থেকেই সঠিক অভ্যাস তৈরি করলে দাঁতে পোকা, ব্যথা, মুখের দুর্গন্ধ এবং ভবিষ্যতের দাঁতের নানা সমস্যা কমানো সম্ভব হতে পারে।

সংক্ষেপে

  • প্রথম দাঁত ওঠার সঙ্গে সঙ্গে শিশুর দাঁত পরিষ্কার করা শুরু করুন।
  • দিনে দুইবার, বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করান।
  • তিন বছরের কম বয়সে চালের দানার সমান এবং তিন বছর বা তার বেশি বয়সে মটরদানার সমান ফ্লোরাইড টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।
  • শিশুকে ব্রাশ গিলে না ফেলে থুতু ফেলার অভ্যাস করান; টুথপেস্ট কুলি করানো বয়স ও শিশুর সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে।
  • দাঁতে গর্ত, কালো দাগ, ব্যথা বা মাড়ি ফুলে গেলে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা করান।

শিশুর দাঁত পরিষ্কার করা কখন থেকে শুরু করবেন?

শিশুর প্রথম দাঁত সাধারণত ছয় মাসের কাছাকাছি সময়ে উঠতে শুরু করে, যদিও প্রতিটি শিশুর সময় আলাদা হতে পারে। দাঁত ওঠার আগেও পরিষ্কার নরম কাপড় বা গজ ভিজিয়ে শিশুর মাড়ি আলতো করে মুছে দেওয়া যায়। এতে মাড়ি পরিষ্কার থাকে এবং মুখ পরিষ্কার করার অভ্যাস তৈরি হয়।

প্রথম দাঁত দেখা দেওয়ার পর শিশুর জন্য ছোট মাথা ও নরম ব্রিসলের একটি ব্রাশ বেছে নিন। ব্রাশটি যেন শিশুর বয়স উপযোগী হয় এবং ব্রিসল শক্ত না হয়। দাঁত ওঠার পর ব্রাশ করতে দেরি করলে দুধ, খাবার ও পানীয়ের অবশিষ্টাংশ দাঁতের উপর জমে ক্ষয় তৈরি করতে পারে।

শিশুর বোতলে দুধ, জুস বা মিষ্টি পানীয় দিয়ে ঘুম পাড়ানোর অভ্যাস থাকলে দাঁতে ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে রাতে বারবার মিষ্টি তরল দাঁতের সংস্পর্শে এলে দুধদাঁতের উপরিভাগ দুর্বল হতে পারে। তাই শিশুর খাদ্যাভ্যাসও দাঁত ব্রাশের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।

বয়স অনুযায়ী শিশুর দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম কী?

০–৩ বছর বয়সে

এই বয়সে শিশুর দাঁত বাবা-মাকেই ব্রাশ করাতে হবে। শিশুকে কোলে নিয়ে বা পেছন থেকে বসিয়ে ব্রাশ করলে মুখের ভেতর ভালোভাবে দেখা যায়। ব্রাশটি দাঁতের বাইরের দিক, ভেতরের দিক এবং চিবানোর অংশে আলতোভাবে ঘুরিয়ে ব্যবহার করুন।

তিন বছরের কম বয়সে ফ্লোরাইড টুথপেস্টের পরিমাণ চালের দানার মতো হওয়া উচিত। বেশি টুথপেস্ট ব্যবহার করলে শিশু তা গিলে ফেলতে পারে। শিশুকে সামান্য টুথপেস্টের স্বাদে অভ্যস্ত করার জন্য জোর না করে ধীরে ধীরে ব্রাশ করান।

৩–৬ বছর বয়সে

এই সময়ে শিশু নিজে ব্রাশ করতে আগ্রহী হয়। তাকে প্রথমে নিজের মতো ব্রাশ করতে দিন, তারপর বাবা-মা একই ব্রাশ বা প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষ্কার ব্রাশ দিয়ে দাঁতগুলো আবার ভালোভাবে পরিষ্কার করে দিন। তিন বছর বা তার বেশি বয়সে মটরদানার সমান টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়।

শিশুকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশের পদ্ধতি দেখানো ভালো। ব্রাশ করার সময় গান, ছড়া বা দুই মিনিটের টাইমার ব্যবহার করলে শিশুর আগ্রহ বাড়তে পারে। তবে ব্রাশ করানোকে ভয় দেখানো বা শাস্তির মতো করে তুলবেন না।

৬ বছর বা তার বেশি বয়সে

এই বয়সে শিশু ধীরে ধীরে নিজে ব্রাশ করতে শিখতে পারে, কিন্তু বাবা-মায়ের তত্ত্বাবধান এখনও দরকার। শিশুটি যেন দাঁতের সব পৃষ্ঠে ব্রাশ পৌঁছাতে পারে, বিশেষ করে পেছনের দাঁত ও চিবানোর অংশ, তা লক্ষ্য করুন।

দাঁতের মাঝখানে খাবার আটকে গেলে বয়স ও শিশুর সক্ষমতা অনুযায়ী ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহারের বিষয়ে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। জোর করে ফ্লস ব্যবহার না করে সঠিক পদ্ধতি শেখানো জরুরি।

দাঁত ব্রাশ করার ধাপে ধাপে পদ্ধতি

১. শিশুর বয়স অনুযায়ী ছোট মাথার নরম ব্রাশ নিন।

২. ব্রাশে সঠিক পরিমাণ টুথপেস্ট দিন। তিন বছরের কম বয়সে চালের দানার সমান এবং তিন বছর বা তার বেশি বয়সে মটরদানার সমান পরিমাণ যথেষ্ট।

৩. ব্রাশটি মাড়ির ধার বরাবর আলতোভাবে রাখুন। খুব জোরে চাপ দিলে মাড়িতে অস্বস্তি বা ক্ষতি হতে পারে।

৪. ছোট ছোট বৃত্তাকার বা সামনে-পেছনে হালকা নড়াচড়ায় দাঁতের বাইরের অংশ পরিষ্কার করুন।

৫. এরপর দাঁতের ভেতরের অংশ এবং চিবানোর অংশ ব্রাশ করুন। পেছনের দাঁত বাদ না দেওয়ার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন।

৬. জিহ্বার উপরিভাগ আলতোভাবে পরিষ্কার করা যায়, তবে শিশুর বমি বমি ভাব হলে জোর করবেন না।

৭. মোটামুটি দুই মিনিট সময় নিয়ে ব্রাশ করান। শিশুর বয়স কম হলে বাবা-মা পুরো সময়টি পরিচালনা করবেন।

৮. ব্রাশ করার পর শিশুকে টুথপেস্ট থুতু ফেলার অভ্যাস করান। শিশু কুলি করতে পারছে কি না, তা বয়স ও সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে।

শিশুর জন্য টুথপেস্ট ও ব্রাশ কীভাবে বেছে নেবেন?

শিশুর টুথব্রাশ কেনার সময় নরম ব্রিসল, ছোট ব্রাশ হেড এবং সহজে ধরতে পারে এমন হাতল বেছে নিন। খুব বড় ব্রাশ শিশুর মুখে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে এবং পেছনের দাঁতে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে। ব্রিসল বাঁকা বা ক্ষয়ে গেলে ব্রাশ বদলে দিন।

ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। তবে কতটুকু টুথপেস্ট ব্যবহার করা হবে, তা শিশুর বয়স অনুযায়ী ঠিক করতে হবে। শিশু টুথপেস্ট খেয়ে ফেললে বা বারবার গিলে ফেললে পরিমাণ কমিয়ে বাবা-মায়ের তত্ত্বাবধানে ব্রাশ করান। নির্দিষ্ট কোনো টুথপেস্ট শিশুর জন্য উপযুক্ত কি না, তা নিয়ে সন্দেহ থাকলে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।

একই ব্রাশ পরিবারের একাধিক সদস্যের মধ্যে ভাগ করে ব্যবহার করা উচিত নয়। শিশুর ব্রাশ শুকনো ও পরিষ্কার জায়গায় রাখুন এবং কয়েক মাস পরপর বা ব্রিসল নষ্ট হলে পরিবর্তন করুন।

কেন শিশুর দাঁতে পোকা হয়?

শিশুর দাঁতে পোকা বা ক্ষয় হওয়ার কয়েকটি সাধারণ কারণ হলো—

  • নিয়মিত ব্রাশ না করা বা তাড়াহুড়ো করে ব্রাশ করা
  • রাতে বোতলে দুধ, জুস বা মিষ্টি পানীয় নিয়ে ঘুমানো
  • বারবার চকলেট, মিষ্টি, বিস্কুট বা আঠালো খাবার খাওয়া
  • খাবারের পর মুখ পরিষ্কার না করা
  • বাবা-মায়ের সাহায্য ছাড়া খুব অল্প সময় ব্রাশ করা
  • দাঁতের গর্ত বা কালো দাগ দেখা দেওয়ার পরও চিকিৎসা না নেওয়া

শুধু মিষ্টি খাওয়াই সমস্যার একমাত্র কারণ নয়; কত ঘন ঘন মিষ্টি খাবার খাওয়া হচ্ছে এবং কতক্ষণ দাঁতে লেগে থাকছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। শিশুকে সারাদিন অল্প অল্প করে মিষ্টি খাবার দেওয়ার বদলে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দেওয়া এবং পরে পানি পান করানো ভালো অভ্যাস।

শিশুর দাঁতে সমস্যা হলে কোন লক্ষণগুলো লক্ষ্য করবেন?

শিশু সবসময় দাঁতের ব্যথা স্পষ্ট করে বলতে পারে না। তাই বাবা-মাকে কিছু লক্ষণ লক্ষ্য করতে হবে। যেমন—

  • দাঁতে কালো, বাদামি বা সাদা দাগ
  • দাঁতের গর্ত বা অংশ ভেঙে যাওয়া
  • ঠান্ডা, গরম বা মিষ্টি খাবারে অস্বস্তি
  • চিবানোর সময় এক পাশ এড়িয়ে চলা
  • রাতে কান্না বা ঘুমের সমস্যা
  • মাড়ি ফুলে যাওয়া বা রক্তপাত
  • মুখে দুর্গন্ধ
  • গাল বা মুখের পাশে ফোলা

এসব লক্ষণ দেখা দিলে শিশুকে নিজে থেকে ওষুধ না দিয়ে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা করান। মুখ বা গাল দ্রুত ফুলে যাওয়া, জ্বর, গিলতে বা শ্বাস নিতে সমস্যা হলে দ্রুত পেশাদার চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

শিশুর দাঁতের চিকিৎসা কোথায় করাবেন?

গাজীপুরে শিশুর দাঁতের সমস্যা, নিয়মিত চেকআপ বা দাঁত ব্রাশের অভ্যাস সম্পর্কে পরামর্শের জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি সুবিধাজনক বিকল্প। এখানে শিশুদের দাঁতের চিকিৎসা, সাধারণ দাঁতের সমস্যা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক পরামর্শ দেওয়া হয়।

ক্লিনিকে ডা. আতিয়া শাহনাজ—বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল—মুখ ও দাঁতের সার্জন হিসেবে রোগী দেখেন। তাঁর এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকস বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ রয়েছে। শিশুর বয়স, দাঁতের অবস্থা এবং সহযোগিতার মাত্রা অনুযায়ী চিকিৎসার উপযুক্ত পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য সরাসরি পরীক্ষা প্রয়োজন।

ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ আধুনিক সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং রোগীবান্ধব সেবার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেবার ধরন অনুযায়ী সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্য জানার সুযোগ রয়েছে। গাজীপুরে চিকিৎসা করালে স্থানীয় পরিবারের জন্য যাতায়াতের সুবিধা থাকে এবং ঢাকার ক্লিনিকে যাওয়ার তুলনায় সময় ও যাতায়াত খরচ বিবেচনায় এটি অনেকের কাছে ভালো মূল্যমানের বিকল্প হতে পারে।

ক্লিনিকের অবস্থান ও সময়

  • ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর
  • চেনার জায়গা: স্বপ্ন সুপার শপ থেকে ৫০ গজ উত্তরে, অরেঞ্জ শো-রুমের পাশের বিল্ডিং, ২য় তলা, আব্দুর রাজ্জাক মেডিকেল হলের উপর
  • চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা
  • অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ফোন/WhatsApp 01601002588

শিশুর দাঁতের চিকিৎসার খরচ কীভাবে নির্ধারিত হয়?

শিশুর দাঁতের চিকিৎসার খরচ নির্ভর করে সমস্যার ধরন, কতগুলো দাঁত আক্রান্ত, চিকিৎসার জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা বা চিকিৎসা পদ্ধতির ওপর। শুধু দাঁত ব্রাশ শেখানো বা চেকআপের খরচ এবং দাঁতে ফিলিং বা অন্য চিকিৎসার খরচ এক নয়। তাই আগে পরীক্ষা ছাড়া নির্দিষ্ট মোট খরচ বলা সবসময় সম্ভব নয়।

ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস-এ সেবার ধরন অনুযায়ী খরচ সম্পর্কে আগে জানতে যোগাযোগ করা যায়। ক্লিনিকের প্রকাশিত কিছু মূল্যের উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো; শিশুর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত চিকিৎসা ও মূল্য ডেন্টিস্টের পরীক্ষার পর নিশ্চিত হবে।

সেবার ধরনপ্রকাশিত মূল্যকী অন্তর্ভুক্ত বা নোট
স্কেলিংনিয়মিত ৳১,৫০০; অফার ৳৯৯৯পলিশিং এবং ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশন ফ্রি—অফারের শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে
Tooth Color Matching Filling৳৮৯৯দাঁতের স্বাভাবিক রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ফিলিং; চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন
শিশুদের দাঁতের চিকিৎসাপরীক্ষা অনুযায়ীসমস্যা, দাঁতের সংখ্যা ও চিকিৎসার ধরন অনুযায়ী মূল্য নির্ধারিত

স্বচ্ছ মূল্য জানার সুবিধা, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং স্থানীয় অবস্থানের কারণে গাজীপুরের পরিবারগুলো চিকিৎসার আগে বিষয়গুলো তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে মানসম্মত সেবা পাওয়ার লক্ষ্যেই ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসকে বিবেচনা করা যেতে পারে; ঢাকার ক্লিনিকের সঙ্গে তুলনা করলে স্থানীয়ভাবে সময় ও যাতায়াতের খরচও অনেক পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী হতে পারে।

শিশুকে নিয়মিত ব্রাশ করানোর সহজ কৌশল

শিশু ব্রাশ করতে না চাইলে জোর করে ভয় দেখানোর বদলে ধৈর্য ধরে অভ্যাস তৈরি করুন। বাবা-মা আগে নিজের দাঁত ব্রাশ করে দেখাতে পারেন। শিশুকে নিজের ব্রাশের রং বা নকশা বেছে নিতে দিলে আগ্রহ বাড়তে পারে। দুই মিনিটের গান চালানো, স্টিকার চার্ট ব্যবহার করা বা ব্রাশের পর প্রশংসা করাও সহায়ক হতে পারে।

তবে মিষ্টি বা খেলনা দিয়ে প্রতিবার পুরস্কার দেওয়ার অভ্যাস করবেন না। এতে দাঁতের ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বরং মৌখিক প্রশংসা, আলিঙ্গন বা পছন্দের গল্প শোনানোর মতো পদ্ধতি ব্যবহার করুন। শিশুর দাঁত ব্রাশ করানোকে প্রতিদিনের নির্দিষ্ট রুটিনে পরিণত করাই সবচেয়ে কার্যকর।

শেষ কথা

শিশুর দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম শেখানোর সবচেয়ে ভালো সময় হলো প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই। বয়স অনুযায়ী নরম ব্রাশ, সঠিক পরিমাণ ফ্লোরাইড টুথপেস্ট, দিনে দুইবার ব্রাশ এবং বাবা-মায়ের তত্ত্বাবধান—এই চারটি বিষয় শিশুর দাঁতের সুস্থতার ভিত্তি তৈরি করে। দাঁতে দাগ, গর্ত, ব্যথা বা মাড়ির সমস্যা দেখা দিলে অপেক্ষা না করে পরীক্ষা করান।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন

আপনার শিশুর দাঁতের অবস্থা, ব্রাশ করার কৌশল বা দাঁতের ক্ষয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ পরামর্শ নিতে পারেন। গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশে এবং ডা. আতিয়া শাহনাজের পরামর্শে শিশুদের দাঁতের সেবা পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন।

গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ

আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।

  • ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
  • ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
  • ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
  • ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার
ডা. আতিয়া শাহনাজ

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে

ডা. আতিয়া শাহনাজ

বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন

“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন:শিশুর দাঁত ব্রাশ করা কখন থেকে শুরু করতে হবে?+

প্রথম দাঁত ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই শিশুর দাঁত পরিষ্কার করা শুরু করা উচিত। শুরুতে নরম ব্রাশ বা পরিষ্কার ভেজা কাপড় ব্যবহার করা যায়, তবে টুথপেস্ট ব্যবহারের নিয়ম শিশুর বয়স অনুযায়ী ঠিক করতে হবে।

প্রশ্ন:শিশুর জন্য কতটুকু টুথপেস্ট ব্যবহার করা উচিত?+

তিন বছরের কম বয়সী শিশুর জন্য চালের দানার সমান পরিমাণ ফ্লোরাইড টুথপেস্ট যথেষ্ট। তিন বছর বা তার বেশি বয়সে মটরদানার সমান টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়, তবে শিশুকে তা গিলে না ফেলে থুতু ফেলার অভ্যাস করাতে হবে।

প্রশ্ন:শিশুর দাঁত দিনে কতবার ব্রাশ করতে হবে?+

শিশুর দাঁত দিনে অন্তত দুইবার ব্রাশ করানো উচিত—সকালে নাশতার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে। রাতের ব্রাশটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ঘুমের সময় মুখে খাবারের অবশিষ্টাংশ থাকলে দাঁতে ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে।

প্রশ্ন:শিশু নিজে ব্রাশ করলে কি বাবা-মায়ের সাহায্য দরকার?+

হ্যাঁ, ছোট শিশু নিজে ব্রাশ করলেও পুরোপুরি পরিষ্কার করতে পারে না। সাধারণত অন্তত ৬–৮ বছর বয়স পর্যন্ত বাবা-মায়ের তত্ত্বাবধানে ব্রাশ করানো বা শেষে আবার পরিষ্কার করে দেওয়া ভালো।

প্রশ্ন:শিশুর দাঁতে কালো দাগ বা গর্ত হলে কী করতে হবে?+

কালো দাগ, গর্ত, দাঁতের ব্যথা বা ঠান্ডা-গরমে সংবেদনশীলতা থাকলে নিজে থেকে চিকিৎসা না করে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা করানো উচিত। গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ শিশুদের দাঁতের সমস্যা সম্পর্কে পরামর্শ নেওয়া যায়।

প্রশ্ন:শিশুর প্রথম ডেন্টাল চেকআপ কখন করানো উচিত?+

প্রথম দাঁত ওঠার ছয় মাসের মধ্যে অথবা শিশুর প্রথম জন্মদিনের মধ্যে ডেন্টাল চেকআপ করানো ভালো। এরপর শিশুর দাঁতের অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস ও ঝুঁকি অনুযায়ী ডেন্টিস্ট পরবর্তী পরামর্শ দিতে পারেন।

প্রশ্ন:গাজীপুরে শিশুর দাঁতের চিকিৎসা কোথায় করাব?+

জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শিমুলতলী রোডে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ শিশুদের দাঁতের চিকিৎসা ও পরামর্শ পাওয়া যায়। এখানে ডা. আতিয়া শাহনাজের পরামর্শ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে সেবা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন:FacebookWhatsApp

সিরিয়াল নিতে চান?

শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588

💬 WhatsApp করুন