শিশুর প্রথম দাঁত কখন ওঠে? লক্ষণ ও যত্ন
শিশুর প্রথম দাঁত সাধারণত ছয় মাসের কাছাকাছি ওঠে, তবে কিছুটা আগে বা পরে হওয়াও স্বাভাবিক।

শিশুর প্রথম দাঁত কখন ওঠে? লক্ষণ, সময় ও যত্নের সম্পূর্ণ গাইড
শিশুর প্রথম দাঁত সাধারণত প্রায় ৬ মাস বয়সে ওঠে। তবে ৪ থেকে ১২ মাসের মধ্যে প্রথম দাঁত ওঠাও স্বাভাবিক হতে পারে; তাই কয়েক মাস আগে বা পরে দাঁত উঠলে সবসময় উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।
সাধারণত নিচের সামনের দাঁত আগে ওঠে। এরপর ওপরের সামনের দাঁত এবং ধীরে ধীরে পাশের দাঁতগুলো উঠতে থাকে। অধিকাংশ শিশুর ২ থেকে ৩ বছর বয়সের মধ্যে মোট ২০টি দুধ দাঁত ওঠে। শিশুর দাঁত ওঠার সময়, লক্ষণ এবং যত্ন সম্পর্কে অভিভাবকদের কিছু বিষয় জানা থাকলে অস্বস্তি কমানো ও ভবিষ্যৎ দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখা সহজ হয়।
শিশুর প্রথম দাঁত সাধারণত কত মাসে ওঠে?
শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার নির্দিষ্ট একটি দিন বা মাস নেই। সাধারণ সময়সূচি মোটামুটি এমন হতে পারে:
| দাঁতের ধরন | সাধারণত ওঠার সময় |
|---|---|
| নিচের সামনের দাঁত | ৬–১০ মাস |
| ওপরের সামনের দাঁত | ৮–১২ মাস |
| ওপরের ও নিচের পাশের দাঁত | ৯–১৬ মাস |
| প্রথম মোলার বা পেছনের দাঁত | ১৩–১৯ মাস |
| ক্যানাইন বা শ্বদন্ত | ১৬–২৩ মাস |
| দ্বিতীয় মোলার | ২৩–৩৩ মাস |
এই সময়সূচি একটি সাধারণ ধারণা, কোনো কঠোর নিয়ম নয়। একই পরিবারের দুই শিশুর দাঁত ওঠার সময়ও এক নাও হতে পারে। কিছু শিশুর প্রথম দাঁত চার মাসের কাছাকাছি উঠতে পারে, আবার কারও এক বছর পার হওয়ার পরও প্রথম দাঁত দেখা দিতে পারে।
জন্মের সময় দাঁত থাকা বা জন্মের প্রথম মাসে দাঁত ওঠা বিরল হলেও সম্ভব। এমন দাঁত নড়বড়ে কি না, শিশুর জিহ্বা বা মায়ের স্তনে আঘাত করছে কি না—এসব দেখার জন্য ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।
দাঁত ওঠার সময় শিশুর কী কী লক্ষণ দেখা যায়?
দাঁত মাড়ির ভেতর থেকে বের হওয়ার সময় শিশুর মাড়িতে চাপ ও অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- লালা আগের তুলনায় বেশি পড়া
- হাত, খেলনা বা কাপড় মুখে নিয়ে কামড়ানোর চেষ্টা
- মাড়ি লাল, ফুলে যাওয়া বা স্পর্শে সংবেদনশীল হওয়া
- খিটখিটে মেজাজ বা কান্না বেড়ে যাওয়া
- ঘুমের ধরনে সাময়িক পরিবর্তন
- খাবার বা দুধ খাওয়ার সময় অস্বস্তি
- গালে বা মুখের চারপাশে লালচে দাগ হওয়া
- হালকা তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা শরীর একটু গরম লাগা
তবে উচ্চ জ্বর, বারবার বমি, পানিশূন্যতা, প্রচণ্ড ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট বা শিশুর খুব দুর্বল হয়ে পড়াকে শুধু দাঁত ওঠার কারণে হয়েছে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। এসব উপসর্গের আলাদা কারণ থাকতে পারে। সঠিক কারণ জানতে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ বা ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
দাঁত ওঠার সময় শিশুকে কীভাবে আরাম দেবেন?
দাঁত ওঠা শিশুর জন্য অস্বস্তিকর হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক বিকাশের অংশ। নিরাপদভাবে আরাম দেওয়ার কয়েকটি উপায় হলো:
পরিষ্কার ঠান্ডা কাপড় ব্যবহার
একটি পরিষ্কার নরম কাপড় পানিতে ভিজিয়ে ফ্রিজে কিছু সময় ঠান্ডা করে শিশুকে ধরতে দিতে পারেন। খুব বরফঠান্ডা বা শক্ত হয়ে যাওয়া কাপড় সরাসরি মাড়িতে ঘষবেন না।
নিরাপদ teething ring
বয়স উপযোগী, বড় আকারের এবং সহজে ভেঙে যায় না—এমন teething ring ব্যবহার করা যেতে পারে। ছোট অংশ খুলে যেতে পারে, গলায় আটকে যেতে পারে বা ধারালো হতে পারে—এমন খেলনা শিশুকে দেবেন না।
পরিষ্কার আঙুল দিয়ে মাড়িতে হালকা চাপ
হাত ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার আঙুল দিয়ে শিশুর মাড়িতে খুব হালকা চাপ দেওয়া যেতে পারে। শিশুর অস্বস্তি বাড়লে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করুন।
শিশুকে পর্যাপ্ত তরল ও স্বাভাবিক খাবার দেওয়া
বয়স অনুযায়ী বুকের দুধ, ফর্মুলা বা উপযুক্ত খাবার চালিয়ে যান। শিশুর খাওয়া অনেক কমে গেলে, প্রস্রাব কমে গেলে বা পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
যেসব জিনিস এড়িয়ে চলবেন
শিশুর মাড়িতে অ্যালকোহল, মধু, লবণ, চিনি বা কোনো ঘরোয়া মিশ্রণ লাগাবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অসাড় করার জেল, অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথার ওষুধ ব্যবহার করবেন না। মধু এক বছরের কম বয়সী শিশুর জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
প্রথম দাঁত ওঠার পর কীভাবে পরিষ্কার করবেন?
দুধ দাঁত সাময়িক হলেও এগুলো শিশুর চিবানো, কথা বলা এবং স্থায়ী দাঁতের জন্য জায়গা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই মুখের যত্ন শুরু করা উচিত।
- দিনে অন্তত দুইবার পরিষ্কার নরম কাপড় বা শিশুর টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন।
- শিশুর বয়স ও দাঁতের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।
- চালের দানার মতো অল্প পরিমাণ ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট প্রয়োজন হতে পারে।
- শিশুকে টুথপেস্ট গিলে ফেলতে না দেওয়ার চেষ্টা করুন।
- প্রতিবার দুধ খাওয়ানোর পর, বিশেষ করে রাতে, মুখের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিন।
- বোতলে দুধ, জুস বা মিষ্টি পানীয় রেখে শিশুকে ঘুম পাড়াবেন না।
রাতে বোতল মুখে নিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস হলে দাঁতের ওপর দীর্ঘ সময় চিনি বা দুধের উপাদান লেগে থাকতে পারে। এতে ছোটবেলায় দাঁতে ক্ষয় বা early childhood caries হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
শিশুর দুধ দাঁত কি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ?
অনেক অভিভাবক মনে করেন দুধ দাঁত তো পরে পড়ে যাবে, তাই এগুলোর চিকিৎসা দরকার নেই। এই ধারণা ঠিক নয়। দুধ দাঁত:
- খাবার চিবাতে সাহায্য করে
- শিশুর কথা বলা ও উচ্চারণে ভূমিকা রাখে
- স্থায়ী দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা ধরে রাখে
- মুখের গঠন ও হাসির স্বাভাবিক বিকাশে সহায়তা করে
দুধ দাঁতে ক্ষয় হলে ব্যথা, ঘুমের সমস্যা, খাওয়ায় অনীহা এবং সংক্রমণ হতে পারে। কোনো দাঁত খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে গেলে পরবর্তী দাঁতের অবস্থানেও প্রভাব পড়তে পারে। তাই দাঁতে সাদা দাগ, বাদামি দাগ, গর্ত, মুখে দুর্গন্ধ বা খাবার খাওয়ার সময় ব্যথা দেখা দিলে পরীক্ষা করানো উচিত।
শিশুকে প্রথম ডেন্টিস্টের কাছে কখন নিয়ে যাবেন?
প্রথম দাঁত ওঠার পর অথবা শিশুর প্রথম জন্মদিনের মধ্যে ডেন্টিস্ট দেখানো ভালো। প্রথম ভিজিটে সবসময় কোনো চিকিৎসা করতে হয় না। ডেন্টিস্ট সাধারণত শিশুর মুখের গঠন, দাঁতের সংখ্যা, মাড়ি, দাঁত পরিষ্কারের পদ্ধতি এবং খাওয়ানোর অভ্যাস সম্পর্কে পরামর্শ দেন।
নিচের পরিস্থিতিতে অপেক্ষা না করে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন:
- ১৮ মাসেও কোনো দাঁত না ওঠা
- দাঁত ওঠার পর মাড়ি অতিরিক্ত ফুলে যাওয়া
- দাঁতে সাদা, কালো বা বাদামি দাগ দেখা
- শিশুর দাঁতে গর্ত বা ভাঙা অংশ থাকা
- দাঁত ব্যথার কারণে শিশু খেতে বা ঘুমাতে না পারা
- মুখে দুর্গন্ধ, পুঁজ বা অস্বাভাবিক ফোলা
- দাঁত আঘাত পাওয়া বা পড়ে যাওয়া
- মুখের ভেতর রক্তপাত বন্ধ না হওয়া
শ্বাস নিতে বা গিলতে কষ্ট, মুখ ও গলা দ্রুত ফুলে যাওয়া, অথবা আঘাতের পর অতিরিক্ত রক্তপাত হলে এটি জরুরি অবস্থা হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।
শিশুর দাঁতের চিকিৎসা কোথায় করাবেন?
গাজীপুরে শিশুর দাঁত ওঠা, দুধ দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির সমস্যা বা দাঁতের সাধারণ পরীক্ষা করাতে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি সুবিধাজনক বিকল্প। জয়দেবপুর ও শিমুলতলী রোড এলাকার পরিবারের জন্য এখানে আধুনিক সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং রোগীবান্ধবভাবে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
ক্লিনিকে শিশুদের দাঁতের চিকিৎসা ও পরামর্শের পাশাপাশি সাধারণ ডেন্টাল সেবা, ডেন্টাল এক্স-রে বা প্রয়োজন অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক সুবিধাও রয়েছে। ডা. আতিয়া শাহনাজ—বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকসে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত—চিকিৎসা পরামর্শ দেন।
শিশুর ক্ষেত্রে কোনো চিকিৎসা শুরুর আগে পরীক্ষা করে সমস্যার কারণ বোঝা জরুরি। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) গাজীপুরে মানসম্মত চিকিৎসা, সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্য এবং অভিভাবকদের সঙ্গে পরিষ্কারভাবে আলোচনা করার ওপর গুরুত্ব দেয়। ঢাকার ক্লিনিকে যাওয়ার অতিরিক্ত যাতায়াত ও সময়ের তুলনায় জয়দেবপুরে এই সেবা অনেক পরিবারের জন্য আরও সুবিধাজনক ও ভালো মূল্যমানের হতে পারে।
চিকিৎসার খরচ শিশুর দাঁতের সমস্যা, পরীক্ষার প্রয়োজন, চিকিৎসার ধরন এবং দাঁতের অবস্থার ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই নির্দিষ্ট মূল্য জানতে আগে চেম্বারে পরীক্ষা ও আলোচনা করা ভালো। খরচের ক্ষেত্রে আগে থেকেই পরিষ্কার তথ্য দেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা এড়ানোই স্বচ্ছ সেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর।
চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা।
সংক্ষেপে
- শিশুর প্রথম দাঁত সাধারণত ৬ মাসের কাছাকাছি ওঠে।
- ৪ থেকে ১২ মাসের মধ্যে দাঁত ওঠাও স্বাভাবিক হতে পারে।
- লালা পড়া, মাড়ি ফুলে যাওয়া ও কিছু চিবাতে চাওয়া সাধারণ লক্ষণ।
- প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই দিনে দুইবার মুখ পরিষ্কার করা উচিত।
- প্রথম দাঁত ওঠার পর বা প্রথম জন্মদিনের মধ্যে ডেন্টিস্ট দেখানো ভালো।
অভিভাবকদের শেষ কথা
শিশুর দাঁত ওঠা একটি স্বাভাবিক বিকাশের ধাপ। নির্দিষ্ট মাসে দাঁত না উঠলেই যে সমস্যা আছে—এমন নয়। তবে দাঁত ওঠার সঙ্গে উচ্চ জ্বর, প্রচণ্ড ফোলা, অতিরিক্ত ব্যথা বা খাওয়া-ঘুমে বড় ধরনের সমস্যা থাকলে শুধু দাঁত ওঠার কারণ ধরে বাড়িতে অপেক্ষা করবেন না। পরীক্ষা করে সঠিক কারণ জানা দরকার।
শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার পর থেকেই নিয়মিত পরিষ্কার, কম চিনি, বোতল নিয়ে ঘুম না দেওয়া এবং সময়মতো ডেন্টাল চেকআপ—এই চারটি অভ্যাস ভবিষ্যৎ দাঁতের স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গাজীপুরে শিশুর দাঁতের পরামর্শ বা চিকিৎসার জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ যোগাযোগ করতে পারেন। এখানে আধুনিক সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ এবং সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে সেবা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
শিশুর দাঁত বা মাড়ি সম্পর্কে পরামর্শ নিতে ফোন/WhatsApp করুন: 01601002588।
ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর।
চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা।
শিশুর সমস্যার সঠিক কারণ ও উপযুক্ত চিকিৎসা জানতে চেম্বারে পরীক্ষা করানোই নিরাপদ।
গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ
আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।
- ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
- ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
- ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
- ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে
ডা. আতিয়া শাহনাজ
বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন
“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন:শিশুর প্রথম দাঁত কখন ওঠে?+
বেশিরভাগ শিশুর প্রথম দাঁত প্রায় ৬ মাস বয়সে ওঠে। তবে ৪ থেকে ১২ মাসের মধ্যে প্রথম দাঁত ওঠাও স্বাভাবিক হতে পারে, কারণ প্রতিটি শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশের গতি আলাদা।
প্রশ্ন:দাঁত ওঠার সময় শিশুর জ্বর হলে কী করা উচিত?+
দাঁত ওঠার সময় সামান্য অস্বস্তি বা শরীর একটু গরম লাগতে পারে, কিন্তু উচ্চ জ্বর সাধারণত শুধু দাঁত ওঠার কারণে হয় না। জ্বর বেশি হলে, দীর্ঘস্থায়ী হলে বা অন্য উপসর্গ থাকলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
প্রশ্ন:শিশুর দাঁত ওঠার সময় কী কী লক্ষণ দেখা যায়?+
লালা বেশি পড়া, সবকিছু মুখে দেওয়া, মাড়ি ফুলে যাওয়া বা সংবেদনশীল হওয়া এবং খিটখিটে মেজাজ দেখা দিতে পারে। তবে ডায়রিয়া, উচ্চ জ্বর বা শ্বাসকষ্টকে শুধু দাঁত ওঠার লক্ষণ ধরে নেওয়া উচিত নয়।
প্রশ্ন:শিশুর প্রথম দাঁত ওঠার পর কীভাবে পরিষ্কার করব?+
দাঁত ওঠার পর পরিষ্কার নরম গজ বা শিশুর টুথব্রাশ দিয়ে দিনে দুইবার দাঁত পরিষ্কার করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অল্প পরিমাণ ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রশ্ন:শিশুকে প্রথমবার ডেন্টিস্টের কাছে কখন নিয়ে যাব?+
প্রথম দাঁত ওঠার পর অথবা শিশুর প্রথম জন্মদিনের মধ্যে ডেন্টিস্ট দেখানো ভালো। এতে দাঁতের বিকাশ, পরিষ্কার রাখার পদ্ধতি এবং দুধ দাঁতের যত্ন সম্পর্কে শুরুতেই পরামর্শ পাওয়া যায়।
প্রশ্ন:গাজীপুরে শিশুর দাঁতের চিকিৎসা কোথায় করাব?+
গাজীপুরের জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ শিশুদের দাঁতের পরামর্শ ও চিকিৎসা নেওয়া যায়। এখানে ডা. আতিয়া শাহনাজের পরামর্শ, আধুনিক সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রশ্ন:দাঁত ওঠার সময় শিশুকে কী চিবাতে দেওয়া যায়?+
পরিষ্কার, নিরাপদ ও ঠান্ডা teething ring বা ঠান্ডা ভেজা কাপড় শিশুকে চিবাতে দেওয়া যেতে পারে। খুব শক্ত, ধারালো, ছোট বা গলায় আটকে যেতে পারে এমন কোনো বস্তু শিশুকে দেবেন না।
প্রশ্ন:শিশুর ১৮ মাসেও দাঁত না উঠলে কী করা উচিত?+
কিছু শিশুর দাঁত দেরিতে উঠতে পারে, তবে ১৮ মাসেও কোনো দাঁত না উঠলে ডেন্টিস্ট বা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো। পরীক্ষা করে শিশুর মুখের গঠন ও দাঁতের বিকাশ সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া যায়।
সিরিয়াল নিতে চান?
শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588
💬 WhatsApp করুন