সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম: ডেন্টিস্টের পরামর্শ
দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখতে কতক্ষণ, কীভাবে এবং দিনে কয়বার দাঁত ব্রাশ করতে হয়—ডেন্টিস্টের পরামর্শসহ বিস্তারিত জানুন।

সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম: ডেন্টিস্টের পরামর্শ
সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করার নিয়ম হলো নরম ব্রাশ দিয়ে দিনে অন্তত দুইবার, প্রতিবার প্রায় দুই মিনিট ধরে দাঁত, মাড়ির সংযোগস্থল এবং জিহ্বা আলতোভাবে পরিষ্কার করা। শুধু দ্রুত ব্রাশ করলেই দাঁত পরিষ্কার হয় না; সঠিক কোণ, হালকা চাপ এবং নিয়মিত অভ্যাসই দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অনেকেই বছরের পর বছর দাঁত ব্রাশ করলেও ভুল পদ্ধতির কারণে দাঁতে প্লাক, মাড়িতে প্রদাহ, মুখে দুর্গন্ধ বা দাঁতের সংবেদনশীলতা তৈরি হতে পারে। তাই গাজীপুর, জয়দেবপুর বা শিমুলতলী রোডের বাসিন্দাদের জন্যও প্রতিদিনের ব্রাশিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত ডেন্টাল পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
সংক্ষেপে: দাঁত ব্রাশ করার ৫টি মূল নিয়ম
- দিনে অন্তত দুইবার, বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করুন।
- নরম ব্রিসলের ব্রাশ ব্যবহার করে প্রায় দুই মিনিট সময় নিন।
- ব্রাশটি দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলে প্রায় ৪৫ ডিগ্রি কোণে রাখুন।
- জোরে ঘষবেন না; ছোট বৃত্তাকার গতিতে আলতোভাবে পরিষ্কার করুন।
- দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করতে ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করুন।
দাঁত ব্রাশ করা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
খাবার খাওয়ার পর দাঁতের গায়ে ব্যাকটেরিয়া, খাবারের কণা ও লালা মিলে একটি আঠালো স্তর তৈরি করে, যাকে প্লাক বলা হয়। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এই প্লাক শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস বা দাঁতের পাথরে পরিণত হতে পারে। দাঁতের পাথর সাধারণ ব্রাশে পুরোপুরি পরিষ্কার হয় না এবং এটি মাড়ির সমস্যা বাড়াতে পারে।
সঠিকভাবে ব্রাশ করলে—
- দাঁতের উপর জমে থাকা প্লাক কমাতে সাহায্য করে
- দাঁতের ক্ষয় বা ক্যাভিটি প্রতিরোধে সহায়তা করে
- মাড়ির প্রদাহ ও রক্তপাতের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে
- মুখের দুর্গন্ধ কমাতে সহায়তা করে
- দাঁতের উপরিভাগে জমে থাকা নরম দাগ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে
তবে ব্রাশিং দাঁতের পাথর, গভীর ক্যাভিটি বা মাড়ির গুরুতর রোগের চিকিৎসা নয়। এসব ক্ষেত্রে কারণ জানতে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।
সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করার ধাপগুলো কী?
১. উপযুক্ত টুথব্রাশ বেছে নিন
নরম বা সফট ব্রিসলের টুথব্রাশ সাধারণত বেশিরভাগ মানুষের জন্য উপযোগী। শক্ত ব্রিসল দাঁত বেশি পরিষ্কার করবে—এ ধারণা ঠিক নয়। শক্ত ব্রাশ বা অতিরিক্ত চাপ দাঁতের বাইরের শক্ত আবরণ এনামেল ক্ষয় করতে এবং মাড়ি সরে যেতে ভূমিকা রাখতে পারে।
ব্রাশের মাথা এমন হওয়া উচিত যাতে মুখের পেছনের দাঁতেও সহজে পৌঁছানো যায়। শিশুদের জন্য বয়স উপযোগী ছোট মাথার ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত। ব্রাশ কারও সঙ্গে ভাগ করে ব্যবহার করবেন না।
২. ব্রাশে অল্প পরিমাণ টুথপেস্ট নিন
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণত মটরদানার সমান টুথপেস্ট যথেষ্ট। টুথপেস্ট বেশি নিলে দাঁত বেশি পরিষ্কার হয় না; বরং অতিরিক্ত ফেনা তৈরি হয়ে অনেকেই প্রয়োজনের আগেই ব্রাশ করা বন্ধ করে দেন। ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।
শিশুদের টুথপেস্টের পরিমাণ ও ধরন বয়স অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। ছোট শিশু টুথপেস্ট গিলে ফেলছে কি না, অভিভাবকের তা নজরে রাখা উচিত।
৩. ব্রাশটি দাঁত ও মাড়ির সংযোগস্থলে রাখুন
ব্রাশের ব্রিসল দাঁতের গায়ে সোজা না রেখে দাঁত ও মাড়ির লাইনের দিকে প্রায় ৪৫ ডিগ্রি কোণে রাখুন। মাড়ির কিনারায় প্লাক বেশি জমতে পারে, তাই এই অংশ বাদ দেওয়া যাবে না।
হালকা হাতে ছোট বৃত্তাকার বা সামনের দিকে-পেছনের ছোট নড়াচড়ায় ব্রাশ করুন। এক জায়গায় অনেকক্ষণ জোরে ঘষবেন না।
৪. দাঁতের বাইরের পৃষ্ঠ পরিষ্কার করুন
প্রথমে ওপরের দাঁত এবং নিচের দাঁতের বাইরের অংশ পরিষ্কার করুন। সামনের দাঁত থেকে পেছনের দাঁতের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যান। প্রতিটি দাঁতের মাড়ির সংযোগস্থলে ব্রাশ পৌঁছেছে কি না খেয়াল করুন।
মুখের এক পাশ দ্রুত শেষ করে অন্য পাশে চলে গেলে কিছু দাঁত বাদ পড়ে যেতে পারে। তাই মুখকে চারটি অংশে ভাগ করে ব্রাশ করা ভালো—উপরের ডান, উপরের বাম, নিচের ডান এবং নিচের বাম অংশ।
৫. দাঁতের ভেতরের পৃষ্ঠ পরিষ্কার করুন
জিহ্বার দিকের দাঁত অনেক সময় চোখে দেখা যায় না বলে পরিষ্কার করা হয় না। কিন্তু এই অংশেও প্লাক জমতে পারে। ব্রাশকে খাড়া করে সামনের দাঁতের ভেতরের অংশ আলতোভাবে পরিষ্কার করুন এবং পেছনের দাঁতের ভেতরের অংশে ছোট বৃত্তাকার গতি ব্যবহার করুন।
৬. চিবানোর পৃষ্ঠ ব্রাশ করুন
মোলার বা পেছনের দাঁতের চিবানোর অংশে ছোট ছোট খাঁজ থাকে। খাবারের কণা এসব খাঁজে আটকে থাকতে পারে। ব্রাশের ব্রিসল দিয়ে হালকা হাতে সামনে-পেছনে নড়াচড়া করে এই অংশ পরিষ্কার করুন।
৭. জিহ্বা পরিষ্কার করুন
জিহ্বার উপরিভাগেও ব্যাকটেরিয়া ও খাবারের কণা জমতে পারে, যা মুখে দুর্গন্ধের একটি কারণ হতে পারে। ব্রাশের পেছনের পরিষ্কার অংশ বা জিহ্বা পরিষ্কার করার উপযোগী টাং ক্লিনার দিয়ে জিহ্বা আলতোভাবে পরিষ্কার করুন। খুব জোরে ঘষে জিহ্বায় জ্বালা বা ক্ষত তৈরি করবেন না।
দিনে কয়বার এবং কখন দাঁত ব্রাশ করা উচিত?
সাধারণভাবে দিনে দুইবার দাঁত ব্রাশ করা ভালো। সকালে ঘুম থেকে উঠে অথবা নাশতার পর ব্রাশ করা যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করা, কারণ ঘুমের সময় মুখে লালার প্রবাহ কমে যায় এবং দাঁতে খাবারের কণা থাকলে ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রম বাড়তে পারে।
অ্যাসিডযুক্ত খাবার বা পানীয়—যেমন কোমল পানীয়, টক ফল বা টক জুস—গ্রহণের পর সঙ্গে সঙ্গে জোরে ব্রাশ না করাই ভালো। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে পরে ব্রাশ করা যেতে পারে। আপনার দাঁতের অবস্থা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরামর্শের জন্য ডেন্টিস্টের সঙ্গে কথা বলুন।
দাঁতের ফাঁক কীভাবে পরিষ্কার করবেন?
টুথব্রাশ দাঁতের মাঝের সরু জায়গায় সবসময় পৌঁছাতে পারে না। তাই দিনে একবার ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। ফ্লস দাঁতের মাঝখানে ঢোকানোর সময় জোর করে নিচে চাপ দেবেন না। দাঁতের পাশে আলতোভাবে বাঁকিয়ে উপর-নিচে পরিষ্কার করতে হয়।
যাদের দাঁতের ফাঁক বেশি, ব্রেসেস আছে, মাড়ির সমস্যা আছে বা দাঁতের আকৃতি বিশেষ ধরনের, তাদের জন্য কোন ধরনের ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ উপযুক্ত তা ডেন্টিস্টের কাছ থেকে জেনে নেওয়া ভালো।
দাঁত ব্রাশ করার সময় কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন?
খুব জোরে ব্রাশ করা
জোরে ব্রাশ করলে দাঁত পরিষ্কার হওয়ার বদলে এনামেল ক্ষয়, দাঁতের গোড়ায় খাঁজ এবং মাড়ি সরে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ব্রাশের হাতল খুব শক্ত করে না ধরে হালকা হাতে ব্যবহার করুন।
এক মিনিটের কম সময় ব্রাশ করা
অনেকে কয়েকবার সামনে-পেছনে ঘষেই ব্রাশ শেষ করেন। এতে দাঁতের ভেতরের পৃষ্ঠ, পেছনের দাঁত বা মাড়ির লাইন বাদ পড়ে যায়। প্রায় দুই মিনিট সময় নেওয়ার অভ্যাস করুন।
পুরোনো বা ছড়িয়ে যাওয়া ব্রাশ ব্যবহার করা
ব্রিসল বাঁকা হয়ে গেলে তা সঠিকভাবে প্লাক পরিষ্কার করতে পারে না। সাধারণত তিন মাস পর অথবা ব্রাশের লোম নষ্ট হলে টুথব্রাশ পরিবর্তন করুন।
মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে ব্রাশ বন্ধ করা
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া মাড়ির প্রদাহ বা প্লাক জমার লক্ষণ হতে পারে। রক্ত পড়ছে বলে পরিষ্কার করা বন্ধ করলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। নরম ব্রাশ দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করুন এবং রক্তপাত নিয়মিত হলে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।
শুধু সামনের দাঁত পরিষ্কার করা
হাসলে দেখা যায় এমন দাঁতই শুধু পরিষ্কার করলে পেছনের দাঁত ও ভেতরের পৃষ্ঠে প্লাক জমে থাকতে পারে। প্রতিবার পুরো মুখের সব দাঁত পরিষ্কার করুন।
দাঁত ব্রাশ করলেও কখন ডেন্টিস্ট দেখাবেন?
নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে পেশাদার ডেন্টাল পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে:
- নিয়মিত মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
- দাঁতে পাথর বা শক্ত ময়লা জমে থাকা
- দাঁতে ব্যথা বা ঠান্ডা-গরমে শিরশির করা
- মুখে দীর্ঘস্থায়ী দুর্গন্ধ
- দাঁত নড়বড়ে লাগা
- দাঁতের গোড়ায় ফোলা বা পুঁজ
- দাঁতের রঙে অস্বাভাবিক পরিবর্তন
- চিবাতে ব্যথা হওয়া
মুখ বা চোয়ালে দ্রুত ফোলা, শ্বাস নিতে বা গিলতে অসুবিধা, নিয়ন্ত্রণহীন রক্তপাত কিংবা দাঁতে গুরুতর আঘাত হলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা নিন।
গাজীপুরে দাঁতের পরামর্শ কোথায় নেওয়া যায়?
সঠিক ব্রাশিংয়ের পরও যদি মাড়িতে রক্তপাত, দাঁতে পাথর, দুর্গন্ধ বা সংবেদনশীলতা থাকে, তাহলে গাজীপুরে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া ভালো। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড ও শিমুলতলী রোডের কাছাকাছি রোগীদের জন্য একটি সুবিধাজনক স্থানীয় ডেন্টাল ক্লিনিক।
এখানে ডা. আতিয়া শাহনাজ—বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে শিক্ষাপ্রাপ্ত এবং এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকস বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত—দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন সমস্যার পরামর্শ দেন। প্রয়োজন অনুযায়ী ডেন্টাল এক্স-রে বা অন্যান্য ডায়াগনস্টিক সুবিধা ব্যবহার করে চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ক্লিনিকটিতে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং রোগীবান্ধব সেবা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দাঁতের স্কেলিং, পলিশিং, ফিলিং, মাড়ির চিকিৎসা ও সাধারণ দাঁতের সমস্যার পরামর্শ পাওয়া যায়। সেবা নেওয়ার আগে বর্তমান চিকিৎসা, খরচ এবং আপনার ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি উপযুক্ত—এসব সরাসরি জেনে নেওয়া উচিত।
ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে মানসম্মত ডেন্টাল সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে। ঢাকায় যাতায়াতের সময় ও খরচ না করে জয়দেবপুরের কাছাকাছি স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার পরামর্শ নেওয়া অনেক রোগীর জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। তবে যেকোনো চিকিৎসার চূড়ান্ত খরচ দাঁতের অবস্থা ও প্রয়োজনীয় পদ্ধতির ওপর নির্ভর করবে।
ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসে সেবার তথ্য
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ক্লিনিক | ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) |
| ঠিকানা | শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর |
| চেম্বার সময় | প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা |
| চিকিৎসক | ডা. আতিয়া শাহনাজ |
| অ্যাপয়েন্টমেন্ট | ফোন/WhatsApp 01601002588 |
| স্কেলিং অফার | ৳৯৯৯; পলিশিং ও ফুল মাউথ চেকআপসহ—বর্তমান অফার প্রযোজ্য থাকলে |
স্কেলিংয়ের আগে চিকিৎসক দাঁত ও মাড়ি পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারেন। অফার বা মূল্য পরিবর্তিত হতে পারে, তাই অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে ফোন বা WhatsApp-এ বর্তমান তথ্য জেনে নিন।
ব্রাশিংয়ের পাশাপাশি দৈনন্দিন দাঁতের যত্ন
দাঁত ব্রাশই মুখের যত্নের একমাত্র ধাপ নয়। দাঁত ও মাড়ি ভালো রাখতে—
- চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় ঘন ঘন না খাওয়ার চেষ্টা করুন
- খাবারের পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন
- দাঁত দিয়ে বোতলের ঢাকনা বা শক্ত বস্তু খোলার অভ্যাস করবেন না
- ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য এড়িয়ে চলুন
- শিশুদের দাঁত ওঠার পর থেকেই অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে ব্রাশ করান
- দাঁতে পাথর বা মাড়ির রক্তপাত থাকলে শুধু ঘরোয়া উপায়ে নির্ভর না করে পরীক্ষা করান
শেষ কথা
সঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করার জন্য নরম ব্রাশ, ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট, হালকা চাপ এবং নিয়মিত দুই মিনিটের অভ্যাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাশিং দাঁতের দৈনন্দিন পরিচর্যার ভিত্তি হলেও দাঁতে পাথর, ব্যথা, মাড়ির রক্তপাত বা দীর্ঘস্থায়ী দুর্গন্ধ থাকলে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন।
গাজীপুরে দাঁত ও মাড়ির পরামর্শের জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি স্থানীয় ও বিশ্বস্ত বিকল্প। এখানে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশে এবং আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে রোগীবান্ধব সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
দাঁত ব্রাশ করার সঠিক পদ্ধতি, মাড়ির সমস্যা, দাঁতে পাথর বা দাঁতের অন্য কোনো সমস্যার কারণ জানতে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস-এ পরামর্শ নিতে পারেন।
- ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর
- চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ফোন/WhatsApp 01601002588
আপনার ক্ষেত্রে কোন চিকিৎসা প্রয়োজন তা নিশ্চিত করতে ক্লিনিকে সরাসরি পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।
গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ
আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।
- ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
- ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
- ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
- ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে
ডা. আতিয়া শাহনাজ
বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন
“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন:দিনে কয়বার দাঁত ব্রাশ করা উচিত?+
সাধারণত দিনে অন্তত দুইবার—সকালে নাশতার পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে—দাঁত ব্রাশ করা ভালো। রাতে ব্রাশ করার পর আর খাবার না খাওয়াই সবচেয়ে উপকারী।
প্রশ্ন:দাঁত ব্রাশ করতে কত মিনিট সময় লাগে?+
প্রতিবার প্রায় দুই মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করা উচিত। মুখকে চার ভাগে ভাগ করে প্রতিটি অংশে প্রায় ৩০ সেকেন্ড সময় দিলে সব দাঁত পরিষ্কার করা সহজ হয়।
প্রশ্ন:জোরে দাঁত ব্রাশ করলে কি দাঁত বেশি পরিষ্কার হয়?+
না, অতিরিক্ত জোরে ব্রাশ করলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় এবং মাড়ি সরে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। নরম ব্রাশ ও হালকা হাতে ছোট বৃত্তাকার গতিতে ব্রাশ করা নিরাপদ পদ্ধতি।
প্রশ্ন:মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে কি ব্রাশ করা বন্ধ করতে হবে?+
সাধারণত রক্ত পড়ছে বলে ব্রাশ বন্ধ করা উচিত নয়; বরং নরম ব্রাশ দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করতে হয়। তবে নিয়মিত রক্তপাত হলে মাড়ির প্রদাহ বা অন্য সমস্যার কারণ জানতে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন।
প্রশ্ন:ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনে দাঁতের পরামর্শ নেওয়া যায় কি?+
হ্যাঁ, গাজীপুরের ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ ডা. আতিয়া শাহনাজের পরামর্শ নেওয়া যায়। ক্লিনিকটি সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে রোগীবান্ধব পরিবেশে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে; অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 01601002588 নম্বরে ফোন বা WhatsApp করুন।
প্রশ্ন:দাঁত ব্রাশ করার পর কি সঙ্গে সঙ্গে পানি দিয়ে কুলি করা উচিত?+
ব্রাশের পর অতিরিক্ত পানি দিয়ে বারবার কুলি না করে টুথপেস্টের ফেনা বের করে দেওয়া ভালো। এতে টুথপেস্টের ফ্লোরাইড কিছু সময় দাঁতের উপর থাকতে পারে; তবে টুথপেস্ট গিলে ফেলা যাবে না।
প্রশ্ন:কতদিন পর পর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত?+
সাধারণত তিন মাস পর, অথবা ব্রাশের লোম বাঁকা ও ছড়িয়ে গেলে তার আগেই টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। অসুস্থতার পরও নতুন ব্রাশ ব্যবহার করা সুবিধাজনক হতে পারে।
সিরিয়াল নিতে চান?
শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588
💬 WhatsApp করুন