মাড়ি ফুলে গেলে কী করবেন? কারণ, চিকিৎসা ও করণীয়
মাড়ি ফুলে গেলে অবহেলা না করে কারণ বুঝে সঠিক যত্ন ও প্রয়োজন হলে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা নেওয়া জরুরি।

মাড়ি ফুলে গেলে প্রথমে কুসুম গরম লবণ পানিতে হালকা কুলি করে, নরম ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার রাখুন এবং দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে আছে কি না দেখুন। কিন্তু ফোলা দুই-তিন দিনের বেশি থাকলে, ব্যথা, রক্তপাত, পুঁজ, দুর্গন্ধ বা জ্বর থাকলে দেরি না করে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা করানো জরুরি।
মাড়ি ফুলে যাওয়া অনেক সময় সাধারণ প্রদাহের কারণে হলেও কখনও দাঁতের গোড়ার ইনফেকশন, গভীর ক্ষয় বা মাড়ির রোগের লক্ষণ হতে পারে। তাই শুধু ঘরোয়া উপায়ে ফোলা কমানোর চেষ্টা না করে আসল কারণ শনাক্ত করাই নিরাপদ। গাজীপুরে এ ধরনের সমস্যার জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ ডা. আতিয়া শাহনাজের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
সংক্ষেপে: মাড়ি ফুলে গেলে কী করবেন?
- নরম ব্রাশ দিয়ে দিনে দুইবার ধীরে দাঁত পরিষ্কার করুন।
- কুসুম গরম লবণ পানিতে হালকা কুলি করতে পারেন; খুব গরম পানি ব্যবহার করবেন না।
- দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকলে ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল পরিষ্কার পদ্ধতি ব্যবহার করুন, তবে জোর করে খোঁচাবেন না।
- ফোলা, ব্যথা বা রক্তপাত বারবার হলে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা নিন।
- মুখ-গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, গিলতে কষ্ট বা অতিরিক্ত রক্তপাত হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।
মাড়ি ফুলে যাওয়ার সাধারণ কারণগুলো কী?
দাঁতে প্লাক ও পাথর জমা
দাঁতের গায়ে ব্যাকটেরিয়াযুক্ত নরম আবরণকে প্লাক বলা হয়। নিয়মিত ও সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে এই প্লাক শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস বা দাঁতের পাথরে পরিণত হতে পারে। পাথর মাড়ির কিনারায় জমে মাড়িতে প্রদাহ সৃষ্টি করলে মাড়ি লাল, ফুলে যাওয়া এবং ব্রাশ করার সময় রক্ত পড়তে পারে।
অনেকের মুখে দুর্গন্ধ বা দাঁতে হলুদ-বাদামি দাগও দেখা যায়। এই অবস্থায় শুধু বেশি জোরে ব্রাশ করলে পাথর দূর হয় না; ডেন্টাল স্কেলিংয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
মাড়ির প্রদাহ বা Gingivitis
মাড়ির প্রাথমিক প্রদাহকে Gingivitis বলা হয়। এর লক্ষণ হতে পারে মাড়ি লাল হয়ে যাওয়া, স্পর্শে সংবেদনশীলতা, ব্রাশ করার সময় রক্তপাত এবং হালকা ফোলা। প্রাথমিক পর্যায়ে কারণ অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতা, পেশাদার পরিষ্কার এবং নিয়মিত ফলোআপে উন্নতি হতে পারে।
দাঁতের গোড়ায় ইনফেকশন বা ফোঁড়া
গভীর দাঁতের ক্ষয় বা দাঁতের ভেতরের নার্ভে সমস্যা হলে দাঁতের গোড়ায় ইনফেকশন তৈরি হতে পারে। তখন নির্দিষ্ট একটি দাঁতের পাশে মাড়ি ফুলে ওঠে, চাপ দিলে ব্যথা হয়, কখনও পুঁজ বা খারাপ স্বাদ অনুভূত হয়। এ ক্ষেত্রে শুধু কুলি করলে মূল সমস্যা দূর হয় না; Root Canal Treatment, ফিলিং বা অন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
দাঁতের মধ্যে খাবার আটকে যাওয়া
দাঁতের ফাঁকে মাছের কাঁটা, মাংসের আঁশ, সবজির অংশ বা অন্য খাবার আটকে গেলে স্থানীয়ভাবে মাড়ি ফুলে ব্যথা করতে পারে। ধারালো পিন, কাঠি বা নখ দিয়ে খোঁচালে মাড়ি আরও আহত হতে পারে। নিরাপদভাবে পরিষ্কার করার পরও সমস্যা থাকলে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।
আক্কেল দাঁতের সমস্যা
আক্কেল দাঁত আংশিক ওঠা, বাঁকা হয়ে থাকা বা দাঁতের ওপর মাড়ি ঢেকে থাকলে সেখানে খাবার ও ব্যাকটেরিয়া জমে ফোলা ও ব্যথা হতে পারে। মুখ খুলতে কষ্ট, গিলতে অস্বস্তি বা পেছনের দিকে দুর্গন্ধ থাকলে আক্কেল দাঁতের পরীক্ষা দরকার হতে পারে।
অন্যান্য কারণ
ভুলভাবে ব্রাশ করা, দাঁতের ধারালো ভাঙা অংশ, অমসৃণ ফিলিং, ধূমপান, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, মুখ শুষ্ক থাকা বা কিছু শারীরিক অবস্থার সঙ্গেও মাড়ির সমস্যা সম্পর্কিত হতে পারে। একই ধরনের ফোলা হলেও চিকিৎসা এক নয়, তাই পরীক্ষা ছাড়া কারণ ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
মাড়ি ফুলে গেলে কোন লক্ষণগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন?
নিচের এক বা একাধিক লক্ষণ থাকলে ডেন্টিস্ট দেখানো ভালো:
- মাড়ি লাল, নরম বা স্পর্শে ব্যথাযুক্ত হওয়া
- ব্রাশ বা খাবার খাওয়ার সময় রক্ত পড়া
- নির্দিষ্ট দাঁতের পাশে পুঁজ বা ফোঁড়ার মতো ফোলা
- দাঁতে ঠান্ডা-গরমে তীব্র সংবেদনশীলতা
- মুখে দুর্গন্ধ বা পুঁজের স্বাদ
- দাঁত নড়বড়ে মনে হওয়া
- চিবাতে ব্যথা হওয়া
- বারবার একই জায়গায় মাড়ি ফুলে যাওয়া
- জ্বর, গাল ফুলে যাওয়া বা মুখ খুলতে অসুবিধা
মাড়ি ফুলে যাওয়া যদি হঠাৎ খুব দ্রুত বাড়ে, গাল বা চোয়াল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে, অথবা গিলতে ও শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে এটি জরুরি পরিস্থিতি হতে পারে। এমন অবস্থায় অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
মাড়ি ফুলে গেলে ঘরে প্রাথমিকভাবে কী করতে পারেন?
প্রথমে নরম ব্রাশ দিয়ে ফোলা জায়গার আশপাশ পরিষ্কার রাখুন। ব্যথা হচ্ছে বলে সম্পূর্ণ ব্রাশ বন্ধ করলে প্লাক আরও জমতে পারে। তবে অতিরিক্ত চাপ দিয়ে ব্রাশ করা, ফোলা মাড়ি ঘষা বা জোর করে দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করা উচিত নয়।
এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে অল্প লবণ মিশিয়ে হালকা কুলি করা সাময়িক আরাম দিতে পারে। পানি গিলে ফেলবেন না। খুব গরম পানি, সরাসরি লবণ বা কোনো রাসায়নিক পদার্থ মাড়িতে লাগানো থেকে বিরত থাকুন।
মাড়িতে বরফ সরাসরি চেপে ধরবেন না। গালের বাইরের দিকে কাপড়ে মোড়ানো ঠান্ডা প্যাক অল্প সময় ব্যবহার করলে অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে, তবে এটি মূল চিকিৎসা নয়। দাঁতের ফাঁকে কিছু আটকে আছে মনে হলে ফ্লস ব্যবহার করতে পারেন; ব্যথা বা রক্তপাত বাড়লে থামুন।
নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথার ওষুধ বা স্টেরয়েড শুরু করবেন না। কোন ওষুধ প্রয়োজন কি না, সেটি রোগীর অবস্থা ও পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে।
ডেন্টিস্ট মাড়ি ফুলে যাওয়ার চিকিৎসা কীভাবে করেন?
চিকিৎসা ধাপে ধাপে এগোয় এবং কারণ অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণত প্রক্রিয়াটি এমন হতে পারে:
১. মুখ ও দাঁতের পরীক্ষা
ডেন্টিস্ট মাড়ির রং, ফোলা, রক্তপাত, পুঁজ, দাঁতের নড়াচড়া এবং দাঁতের চারপাশ পরীক্ষা করেন। কোন দাঁত থেকে সমস্যা শুরু হয়েছে, ব্যথা কখন বাড়ে এবং আগে এমন হয়েছিল কি না—এসব তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ।
২. প্রয়োজন হলে এক্স-রে বা ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা
ফোলা যদি দাঁতের গোড়ার গভীর সমস্যা, ক্ষয় বা আটকে থাকা আক্কেল দাঁতের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তাহলে ডেন্টাল এক্স-রে প্রয়োজন হতে পারে। এক্স-রে ছাড়া দেখা যায় না এমন সমস্যাও এতে বোঝা যেতে পারে।
৩. পেশাদার পরিষ্কার বা স্কেলিং
প্লাক ও দাঁতের পাথর জমে মাড়ি ফুলে গেলে স্কেলিং ও পলিশিং করা হতে পারে। এতে দাঁতের ওপর জমে থাকা পাথর ও কিছু দাগ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। মাড়ি খুব সংবেদনশীল হলে চিকিৎসক আগে বিষয়টি ব্যাখ্যা করবেন।
৪. দাঁতের ক্ষয় বা গোড়ার ইনফেকশনের চিকিৎসা
গভীর ক্ষয় থাকলে ফিলিং করা হতে পারে। দাঁতের ভেতরের অংশ আক্রান্ত হলে Root Canal Treatment করে দাঁত সংরক্ষণের চেষ্টা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে রুট ক্যানালের পর ক্রাউন প্রয়োজন হতে পারে। কোন চিকিৎসা লাগবে তা পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত বলা যায় না।
৫. মাড়ির রোগের ফলোআপ
মাড়ির প্রদাহ বেশি হলে পেশাদার পরিষ্কারের পাশাপাশি ব্রাশিং পদ্ধতি, দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার এবং ফলোআপের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। মাড়ির দীর্ঘস্থায়ী রোগে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।
মাড়ির চিকিৎসার খরচ কত?
মাড়ি ফুলে যাওয়ার চিকিৎসার একক মূল্য নেই। কারণটি প্লাক, পাথর, দাঁতের ক্ষয়, রুট ইনফেকশন বা আক্কেল দাঁতের সমস্যা—কোনটি, তার ওপর খরচ নির্ভর করে। প্রয়োজনীয় এক্স-রে, দাঁতের সংখ্যা, চিকিৎসার জটিলতা এবং ব্যবহৃত উপকরণও মোট খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।
| সম্ভাব্য সেবা | ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসের তালিকাভুক্ত মূল্য | কী জানা দরকার |
|---|---|---|
| স্কেলিং | নিয়মিত ৳১,৫০০; অফার মূল্য ৳৯৯৯ | পলিশিং এবং ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশন ফ্রি—অফারের বর্তমানতা আগে নিশ্চিত করুন |
| দাঁতের ফিলিং | অফার মূল্য ৳৮৯৯ | ক্ষয়ের গভীরতা ও ফিলিংয়ের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারিত হয় |
| Tooth Color Matching Filling | ৳৮৯৯ | দাঁতের স্বাভাবিক রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ফিলিং করা হয় |
| মাড়ির অন্যান্য চিকিৎসা | পরীক্ষার পর নির্ধারণ | ফোলা ও সমস্যার কারণ অনুযায়ী পরিকল্পনা করা হয় |
ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা ও চিকিৎসা করাতে পারলে ঢাকায় যাতায়াতের অতিরিক্ত সময় ও খরচ এড়ানো যায়—ফলে অনেক রোগীর কাছে এটি ঢাকার ক্লিনিকে যাওয়ার তুলনায় ভালো মূল্যমানের সমাধান হতে পারে। বর্তমান অফার বা চূড়ান্ত খরচ অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে ফোনে জেনে নিন।
মাড়ি ফোলা প্রতিরোধে কী করবেন?
- দিনে দুইবার দুই মিনিট করে নরম ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন।
- দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করতে ডেন্টাল ফ্লস বা উপযুক্ত ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করুন।
- ব্রাশ করার সময় মাড়িতে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না।
- দাঁতে পাথর, রক্তপাত বা দুর্গন্ধ থাকলে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করবেন না।
- ধূমপান ও তামাকজাতীয় পণ্য এড়িয়ে চলুন।
- অতিরিক্ত চিনি ও বারবার মিষ্টি খাবার খাওয়ার অভ্যাস কমান।
- বছরে প্রয়োজন অনুযায়ী ডেন্টাল চেকআপ করান।
- শিশুদের মাড়ি ফুলে গেলে নিজের মতো ওষুধ না দিয়ে শিশুদের দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গাজীপুরে মাড়ি ফুলে গেলে কোথায় দেখাবেন?
মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁতের পাথর, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, দাঁতের ব্যথা বা দাঁতের গোড়ার সমস্যার জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি সুবিধাজনক স্থানীয় চিকিৎসা বিকল্প। এখানে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত সেটআপ, প্রয়োজন অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক সুবিধা এবং রোগীবান্ধব পরামর্শের ব্যবস্থা রয়েছে।
ক্লিনিকের ডা. আতিয়া শাহনাজ বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস); তিনি ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের সঙ্গে শিক্ষাগতভাবে যুক্ত এবং এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকসে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। মাড়ির সমস্যা দাঁতের গোড়ার চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত কি না, তা পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যায়।
ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর। ক্লিনিকটি স্বপ্ন সুপার শপ থেকে ৫০ গজ উত্তরে, অরেঞ্জ শো-রুমের পাশের বিল্ডিংয়ের ২য় তলায়, আব্দুর রাজ্জাক মেডিকেল হলের উপর অবস্থিত।
চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ফোন/WhatsApp 01601002588।
চিকিৎসার আগে সমস্যা বুঝিয়ে বলা, সম্ভাব্য চিকিৎসা জানানো এবং খরচ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দেওয়া রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা খুঁজলে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
শেষ কথা
মাড়ি ফুলে গেলে তা সবসময় গুরুতর নয়, তবে বারবার ফোলা, রক্তপাত, পুঁজ, দুর্গন্ধ বা দাঁতের ব্যথাকে অবহেলা করা উচিত নয়। ঘরোয়া যত্ন সাময়িক আরাম দিতে পারে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের জন্য ফোলার কারণ জানা প্রয়োজন।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
মাড়ি ফুলে যাওয়ার কারণ ও উপযুক্ত চিকিৎসা জানতে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ যোগাযোগ করুন।
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ফোন/WhatsApp 01601002588
- ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর
- চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
- ক্লিনিকের অবস্থান দেখুন
- চিকিৎসার মূল্য তালিকা দেখুন
গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ
আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।
- ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
- ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
- ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
- ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে
ডা. আতিয়া শাহনাজ
বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন
“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন:মাড়ি ফুলে গেলে ঘরোয়া উপায়ে কী করা যায়?+
কুসুম গরম লবণ পানিতে হালকা কুলি করা, নরম ব্রাশ ব্যবহার এবং দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার রাখা সাময়িক আরাম দিতে পারে। তবে ফোলা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা ব্যথা, পুঁজ ও জ্বর থাকলে ঘরোয়া যত্নের ওপর নির্ভর না করে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন।
প্রশ্ন:মাড়ি ফুলে যাওয়ার প্রধান কারণ কী?+
দাঁতে প্লাক ও পাথর জমা, মাড়ির প্রদাহ, দাঁতের ক্ষয়, দাঁতের গোড়ায় ইনফেকশন, আক্কেল দাঁতের সমস্যা বা খাবার আটকে যাওয়ার কারণে মাড়ি ফুলতে পারে। সঠিক কারণ জানতে মুখ ও দাঁত পরীক্ষা করা দরকার।
প্রশ্ন:মাড়ি ফুলে গেলে কি স্কেলিং করা যায়?+
প্লাক বা দাঁতের পাথর জমে মাড়ি ফুলে গেলে ডেন্টিস্টের পরামর্শে স্কেলিং উপকারী হতে পারে। তবে ফোলার কারণ যদি দাঁতের গোড়ার ইনফেকশন বা অন্য কোনো সমস্যা হয়, তাহলে শুধু স্কেলিং যথেষ্ট নাও হতে পারে।
প্রশ্ন:মাড়ি ফুলে গেলে কখন ডেন্টিস্ট দেখাতে হবে?+
ফোলা দুই-তিন দিনের বেশি থাকে, বারবার হয়, রক্ত পড়ে, পুঁজ বের হয়, দাঁতে তীব্র ব্যথা থাকে বা মুখ খুলতে কষ্ট হলে ডেন্টিস্ট দেখানো উচিত। মুখ বা গলা ফুলে গিয়ে শ্বাস নিতে বা গিলতে কষ্ট হলে জরুরি চিকিৎসা নিন।
প্রশ্ন:গাজীপুরে মাড়ির চিকিৎসা কোথায় করাবো?+
গাজীপুরের জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ মাড়ি ফুলে যাওয়ার কারণ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা নেওয়া যায়। অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 01601002588 নম্বরে ফোন বা WhatsApp করুন।
প্রশ্ন:মাড়ির চিকিৎসার খরচ কত?+
খরচ নির্ভর করে মাড়ি ফোলার কারণ, দাঁতে পাথর জমার পরিমাণ, এক্স-রে প্রয়োজন কি না এবং কোন চিকিৎসা লাগছে তার ওপর। ক্লিনিকের বর্তমান তালিকায় স্কেলিংয়ের অফার মূল্য ৳৯৯৯; চিকিৎসার আগে সরাসরি মূল্য জেনে নেওয়া ভালো।
প্রশ্ন:মাড়ি ফুলে গেলে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত কি?+
নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া উচিত নয়, কারণ সব ধরনের মাড়ি ফোলায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। পরীক্ষা করে প্রয়োজন মনে হলে ডেন্টিস্ট উপযুক্ত চিকিৎসা সম্পর্কে নির্দেশনা দেবেন।
প্রশ্ন:মাড়ি ফোলা কি দাঁত পড়ে যাওয়ার লক্ষণ?+
মাড়ির দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ ও মাড়ির রোগ চিকিৎসা না করলে দাঁতের চারপাশের টিস্যু ও হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, ফলে দাঁত নড়বড়ে হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তবে মাড়ি ফুললেই দাঁত পড়ে যাবে—এমন নয়; দ্রুত পরীক্ষা করালে কারণ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
সিরিয়াল নিতে চান?
শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588
💬 WhatsApp করুন