দাঁত ভেঙে গেলে কী করবেন? কখন ডেন্টিস্ট দেখাবেন?
দাঁত ভেঙে গেলে ভাঙা অংশটি সংরক্ষণ করে দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি, বিশেষ করে ব্যথা, রক্তপাত বা ফুলে যাওয়া থাকলে।

দাঁত ভেঙে গেলে কী করবেন? কখন দ্রুত ডেন্টিস্ট দেখানো দরকার?
দাঁত ভেঙে গেলে প্রথমে মুখ পরিষ্কার পানি দিয়ে আলতো করে কুলকুচি করুন, ভাঙা অংশটি সংরক্ষণ করুন এবং দাঁতের ধারালো অংশে চাপ না দিয়ে দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন। ব্যথা, রক্তপাত, দাঁত নড়ে যাওয়া, মাড়ি বা মুখ ফুলে যাওয়া এবং দাঁতের ভেতরের অংশ দেখা গেলে অপেক্ষা না করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
দাঁত পড়ে যাওয়া, শক্ত খাবার কামড়ানো, খেলাধুলা বা দুর্ঘটনায় আঘাত, দাঁতে দীর্ঘদিনের ক্ষয় এবং পুরোনো বড় ফিলিং—এসব কারণে দাঁত ভেঙে যেতে পারে। ভাঙা দাঁত বাইরে থেকে ছোট সমস্যা মনে হলেও ভেতরের নার্ভ আক্রান্ত হলে পরে তীব্র ব্যথা বা সংক্রমণ হতে পারে। তাই গাজীপুর, জয়দেবপুর বা শিমুলতলী রোডের আশপাশে এমন ঘটনা ঘটলে দ্রুত পরীক্ষা করানোই নিরাপদ পদ্ধতি।
সংক্ষেপে: দাঁত ভাঙলে যে ৫টি বিষয় মনে রাখবেন
- ভাঙা অংশটি খুঁজে পরিষ্কার পাত্রে বা দুধে সংরক্ষণ করুন।
- পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন; ভাঙা দাঁত দিয়ে চিবাবেন না।
- রক্তপাত হলে পরিষ্কার গজ দিয়ে হালকা চাপ দিন।
- তীব্র ব্যথা, ফোলা, রক্তপাত বা দাঁত নড়ে গেলে দ্রুত ডেন্টিস্ট দেখান।
- চিকিৎসা না হওয়া পর্যন্ত দাঁতে আঠা, পেস্ট বা অন্য কোনো পদার্থ লাগাবেন না।
দাঁত কী কী কারণে ভেঙে যেতে পারে?
দাঁত ভাঙার কারণ জানলে ভবিষ্যতে ঝুঁকি কমানো সহজ হয়। সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
আঘাত বা দুর্ঘটনা
পড়ে যাওয়া, গাড়ি দুর্ঘটনা, খেলাধুলার সময় মুখে আঘাত বা শক্ত কোনো বস্তুর আঘাতে দাঁত ফেটে বা ভেঙে যেতে পারে। সামনের দাঁতে এই ধরনের আঘাত বেশি দেখা যায়।
শক্ত খাবার কামড়ানো
বরফ, শক্ত বাদাম, শক্ত হাড়, কলমের ঢাকনা বা অন্য কোনো শক্ত বস্তু কামড়ালে দাঁতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। আগে থেকেই দুর্বল বা ক্ষয়যুক্ত দাঁত এভাবে সহজেই ভেঙে যেতে পারে।
দাঁতের ক্ষয়
দাঁতের ভেতরের ক্ষয় বাইরে থেকে সবসময় বোঝা যায় না। ক্ষয় গভীরে পৌঁছালে দাঁতের গঠন দুর্বল হয়ে যায় এবং স্বাভাবিক চাপে দাঁতের কোনো অংশ ভেঙে যেতে পারে।
পুরোনো বা বড় ফিলিং
দাঁতের অনেকটা অংশ ক্ষয় হয়ে গেলে বড় ফিলিং করা হয়। সময়ের সঙ্গে দাঁতের বাকি অংশ পাতলা হলে ফাটল বা ভাঙার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
দাঁত ঘষা বা চেপে ধরা
ঘুমের মধ্যে দাঁত ঘষা বা দিনের বেলা অজান্তে দাঁত শক্ত করে চেপে ধরার অভ্যাসে দাঁতে সূক্ষ্ম ফাটল তৈরি হতে পারে। পরে সেই ফাটল বড় হয়ে দাঁত ভেঙে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
দাঁত ভেঙে গেলে কোন লক্ষণগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন?
ভাঙার পর সবার একই ধরনের লক্ষণ হয় না। কারও শুধু ধারালো প্রান্ত থাকে, আবার কারও দাঁতের ভেতরের অংশ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিচের লক্ষণগুলো থাকলে অবহেলা করবেন না:
- দাঁতে তীব্র বা ধুকপুক করা ব্যথা
- ঠান্ডা, গরম বা মিষ্টি খাবারে বেশি সংবেদনশীলতা
- কামড় দিলে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হওয়া
- দাঁতের ভাঙা অংশে ধারালো প্রান্ত থাকা
- দাঁতের মাঝখানে গোলাপি বা লালচে অংশ দেখা যাওয়া
- মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
- দাঁত নড়ে যাওয়া বা অবস্থান বদলে যাওয়া
- মাড়ি, গাল বা মুখের এক পাশে ফোলা
- মুখে দুর্গন্ধ, পুঁজের মতো স্বাদ বা জ্বর
শুধু ব্যথা নেই বলে দাঁত নিরাপদ—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। কখনও দাঁতের নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কিছু সময় ব্যথা কমে যেতে পারে, কিন্তু ভেতরে সংক্রমণ তৈরি হতে পারে। সঠিক কারণ জানতে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে ডেন্টাল এক্স-রে দরকার হতে পারে।
দাঁত ভেঙে গেলে বাড়িতে তাৎক্ষণিক কী করবেন?
১. ভাঙা অংশটি সংরক্ষণ করুন
ভাঙা টুকরোটি পেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে খুব আলতো করে ধুয়ে একটি পরিষ্কার পাত্রে রাখুন। দুধে রাখা যেতে পারে। টুকরোটি ঘষে পরিষ্কার করবেন না এবং টিস্যুতে শুকনো অবস্থায় দীর্ঘ সময় রাখবেন না।
২. মুখ আলতো করে পরিষ্কার করুন
মুখে রক্ত বা খাবারের কণা থাকলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পরিষ্কার পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। খুব জোরে কুলকুচি বা ভাঙা অংশে আঙুল দিয়ে চাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন।
৩. রক্তপাত হলে গজ ব্যবহার করুন
মাড়ি কেটে রক্তপাত হলে পরিষ্কার গজ বা কাপড় দিয়ে হালকা চাপ দিন। রক্তপাত থামছে না, ক্ষত গভীর বা মুখে বড় আঘাত থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।
৪. ভাঙা পাশ দিয়ে চিবাবেন না
চিকিৎসা না হওয়া পর্যন্ত নরম খাবার বেছে নিন এবং ভাঙা দাঁতের পাশে শক্ত খাবার চিবানো বন্ধ রাখুন। অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা খাবারেও অস্বস্তি বাড়তে পারে।
৫. দাঁতে নিজে কিছু লাগাবেন না
সুপারগ্লু, আঠা, পেস্ট, চুন, তেল বা কোনো ঘরোয়া পদার্থ দিয়ে দাঁত জোড়ার চেষ্টা করবেন না। এগুলো মাড়ির ক্ষতি করতে পারে এবং পরবর্তী চিকিৎসা কঠিন করে তুলতে পারে।
কখন দ্রুত ডেন্টিস্ট দেখানো দরকার?
নিচের যেকোনো পরিস্থিতিতে একই দিন ডেন্টিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করা ভালো:
- দাঁতের ভেতরের গোলাপি বা লাল অংশ দেখা যাচ্ছে
- তীব্র ব্যথা বা ব্যথা ক্রমে বাড়ছে
- দাঁত নড়ছে বা কামড়ের অবস্থান বদলে গেছে
- মাড়ি, গাল বা মুখ ফুলে যাচ্ছে
- রক্তপাত বন্ধ হচ্ছে না
- দাঁত সম্পূর্ণভাবে পড়ে গেছে
- আঘাতের পর মাথা ঘোরা, বমি বা চোয়ালে তীব্র ব্যথা হয়েছে
- গিলতে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে
শ্বাসকষ্ট, গিলতে সমস্যা, দ্রুত বাড়তে থাকা মুখের ফোলা বা গুরুতর মুখের আঘাত থাকলে শুধু ডেন্টাল অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নিন। শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তির দাঁত ভাঙলেও দ্রুত পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।
ভাঙা দাঁতের চিকিৎসা কীভাবে করা হয়?
চিকিৎসা নির্ভর করে দাঁত কতটা ভেঙেছে, দাঁতের শিকড় অক্ষত আছে কি না, ভেতরের নার্ভ আক্রান্ত হয়েছে কি না এবং দাঁতটি সংরক্ষণ করা সম্ভব কি না—এসব বিষয়ে। সাধারণত ধাপগুলো এমন হতে পারে:
পরীক্ষা ও এক্স-রে
প্রথমে ডেন্টিস্ট ভাঙা অংশ, মাড়ি, দাঁতের নড়াচড়া এবং কামড়ের সমস্যা পরীক্ষা করেন। প্রয়োজনে ডেন্টাল এক্স-রে করে দাঁতের শিকড় বা ভেতরের ক্ষতির অবস্থা দেখা হয়।
ছোট অংশ ভাঙলে ফিলিং বা বন্ডিং
শুধু উপরের সামান্য অংশ ভাঙলে দাঁতের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ফিলিং বা বন্ডিং করা যেতে পারে। এতে ধারালো প্রান্ত ঢেকে দাঁতের আকৃতি ও কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। তবে উপযুক্ত পদ্ধতি নির্ধারণের আগে পরীক্ষা দরকার।
বড় অংশ ভাঙলে ক্রাউন
দাঁতের গঠন অনেকটা দুর্বল হয়ে গেলে শুধু ফিলিং যথেষ্ট নাও হতে পারে। তখন দাঁতকে ঢেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য ক্রাউন বিবেচনা করা হতে পারে।
নার্ভ আক্রান্ত হলে রুট ক্যানাল
ভাঙা অংশ দাঁতের ভেতরের পাল্প বা নার্ভ পর্যন্ত পৌঁছালে রুট ক্যানাল চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে। এতে আক্রান্ত অংশ পরিষ্কার করে দাঁতটি সংরক্ষণের চেষ্টা করা হয়; পরে দাঁতের শক্তি ও ব্যবহার অনুযায়ী ফিলিং বা ক্রাউন লাগতে পারে।
দাঁত সংরক্ষণ করা না গেলে
দাঁত বা শিকড় গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা অপসারণের প্রয়োজন হতে পারে। এরপর ফাঁকা স্থান পূরণের জন্য ব্রিজ, ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট বা ডেনচার নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। কোনটি উপযুক্ত তা ডেন্টিস্টের পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে।
ভাঙা দাঁতের চিকিৎসার খরচ কত?
খরচ নির্ভর করে ভাঙার গভীরতা, কতটি দাঁত আক্রান্ত, এক্স-রে প্রয়োজন কি না, ফিলিং নাকি রুট ক্যানাল দরকার এবং পরে ক্রাউন লাগবে কি না—এসব বিষয়ে। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসের প্রকাশিত মূল্যতথ্য অনুযায়ী কিছু সম্ভাব্য চিকিৎসার দাম নিচে দেওয়া হলো:
| চিকিৎসার ধরন | প্রকাশিত মূল্য | কখন প্রযোজ্য হতে পারে |
|---|---|---|
| Tooth Color Matching Filling | ৳৮৯৯ | দাঁতের তুলনামূলক ছোট বা মাঝারি অংশ ভাঙলে, চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী |
| রুট ক্যানাল + পার্মানেন্ট ফিলিং | ৳২,৯৯৯ | দাঁতের ভেতরের অংশ আক্রান্ত হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী |
| ক্রাউন / ব্রিজ | ৳২,৯৯৯ | দুর্বল বা ক্ষতিগ্রস্ত দাঁত ঢেকে সুরক্ষিত রাখতে, প্রযোজ্যতার ভিত্তিতে |
এগুলো প্রকাশিত অফারমূল্য; প্রতিটি ভাঙা দাঁতের জন্য একই চিকিৎসা বা একই খরচ প্রযোজ্য হবে না। চূড়ান্ত মূল্য জানতে সরাসরি পরীক্ষা করা দরকার। গাজীপুরে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে চিকিৎসা নিতে চাইলে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি বিশ্বস্ত স্থানীয় বিকল্প। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার কারণে অনেক রোগীর জন্য ঢাকায় যাতায়াতের অতিরিক্ত খরচ ও সময়ও বাঁচতে পারে।
গাজীপুরে ভাঙা দাঁতের চিকিৎসা কোথায় করাবেন?
কোথায় চিকিৎসা করাবেন, তা বাছাই করার সময় শুধু কম দাম নয়—ডেন্টিস্টের যোগ্যতা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা, জীবাণুমুক্ত পরিবেশ, চিকিৎসার ধাপ এবং খরচের স্বচ্ছতা বিবেচনা করুন। গাজীপুরে ভাঙা দাঁতের চিকিৎসার জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) রোগীদের জন্য একটি বিশ্বস্ত পছন্দ হতে পারে।
এখানে ডা. আতিয়া শাহনাজ—বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল; এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও অ্যাডভান্সড এন্ডোডন্টিকসে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত—দাঁত ও মুখের বিভিন্ন সমস্যার পরামর্শ দেন। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত সেটআপ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক সুবিধার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্য, প্রয়োজনভিত্তিক চিকিৎসা এবং স্থানীয় সুবিধার কারণে জয়দেবপুর ও গাজীপুরের রোগীদের জন্য এটি বাস্তবসম্মত পছন্দ। ঢাকার ক্লিনিকের সঙ্গে তুলনা করার সময় শুধু বিজ্ঞাপনের দাম নয়, যাতায়াত, ফলোআপ এবং চিকিৎসার স্বচ্ছতাও বিবেচনা করুন।
দাঁত ভাঙার পর কীভাবে যত্ন নেবেন?
চিকিৎসার পর ডেন্টিস্ট যে নির্দেশনা দেবেন তা অনুসরণ করুন। সাধারণভাবে:
- চিকিৎসা করা দাঁত দিয়ে শক্ত খাবার না চিবানো পর্যন্ত সতর্ক থাকুন।
- নিয়মিত ব্রাশ করুন, তবে ভাঙা বা চিকিৎসা করা অংশে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না।
- দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকলে পরিষ্কার রাখুন; জোর করে ধারালো কিছু ঢোকাবেন না।
- ফিলিং বা ক্রাউন আলগা মনে হলে নিজে ঠিক করার চেষ্টা না করে ক্লিনিকে যোগাযোগ করুন।
- ব্যথা, ফোলা, দুর্গন্ধ, পুঁজ বা জ্বর দেখা দিলে দ্রুত পুনরায় পরীক্ষা করান।
ভবিষ্যতে দাঁত রক্ষার জন্য বরফ, শক্ত হাড় বা কলমের মতো জিনিস কামড়ানো এড়িয়ে চলুন। খেলাধুলায় মুখে আঘাতের ঝুঁকি থাকলে উপযুক্ত সুরক্ষা ব্যবহার করা যেতে পারে। দাঁত ঘষার অভ্যাস থাকলে ডেন্টিস্টকে জানান।
দাঁত ভেঙে যাওয়া কি প্রতিরোধ করা যায়?
সব দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে ঝুঁকি কমানো যায়। দিনে দুইবার fluoride toothpaste দিয়ে ব্রাশ করা, দাঁতের ক্ষয় দ্রুত চিকিৎসা করা, নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ করা এবং দাঁত দিয়ে প্যাকেট খোলা বা শক্ত বস্তু ভাঙার অভ্যাস না করা উপকারী। দাঁতে পুরোনো বড় ফিলিং থাকলে বা বারবার ফাটল দেখা দিলে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
দাঁত ভেঙে গেলে দেরি না করে পরীক্ষা করানোই নিরাপদ। গাজীপুরে ভাঙা দাঁতের ফিলিং, রুট ক্যানাল, ক্রাউন বা প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ যোগাযোগ করতে পারেন।
- ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর
- চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ফোন/WhatsApp 01601002588
চিকিৎসার বিস্তারিত জানতে ভাঙা দাঁতের জন্য চিকিৎসা ও অন্যান্য সেবা, ডাক্তারের তথ্যের জন্য ডাক্তার প্রোফাইল, অথবা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেজ দেখতে পারেন।
গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ
আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।
- ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
- ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
- ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
- ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে
ডা. আতিয়া শাহনাজ
বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন
“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন:দাঁত ভেঙে গেলে প্রথমে কী করতে হবে?+
মুখ পরিষ্কার পানি দিয়ে আলতো করে কুলকুচি করে ভাঙা অংশটি পরিষ্কার পাত্রে বা দুধে সংরক্ষণ করুন। ধারালো অংশে জিহ্বা না লাগিয়ে যত দ্রুত সম্ভব ডেন্টিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
প্রশ্ন:দাঁত ভেঙে গেলে কি সবসময় রুট ক্যানাল করতে হয়?+
না, সব ভাঙা দাঁতে রুট ক্যানাল প্রয়োজন হয় না। ভাঙার গভীরতা, দাঁতের ভেতরের নার্ভ আক্রান্ত হয়েছে কি না এবং দাঁতটি সংরক্ষণযোগ্য কি না—এসব পরীক্ষা করে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।
প্রশ্ন:দাঁতের সামান্য অংশ ভেঙে গেলে কি চিকিৎসা দরকার?+
সামান্য অংশ ভাঙলেও ধারালো প্রান্ত, ক্ষয় বা ভবিষ্যতে আরও ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই ব্যথা না থাকলেও ডেন্টিস্টকে দেখিয়ে প্রয়োজন হলে ফিলিং বা অন্য উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া ভালো।
প্রশ্ন:দাঁত ভেঙে গেলে কখন জরুরি ভিত্তিতে ডেন্টিস্ট দেখাতে হবে?+
তীব্র ব্যথা, থামছে না এমন রক্তপাত, মুখ বা মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁত নড়ে যাওয়া, মুখ খুলতে বা গিলতে সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। মুখে আঘাতের পর শ্বাসকষ্ট বা অতিরিক্ত ফোলা থাকলে জরুরি চিকিৎসা দরকার।
প্রশ্ন:গাজীপুরে ভাঙা দাঁতের চিকিৎসা কোথায় করাব?+
গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) ভাঙা দাঁতের পরীক্ষা, ফিলিং, রুট ক্যানাল, ক্রাউন এবং প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক পরামর্শ দেয়। এখানে ডা. আতিয়া শাহনাজের পরামর্শে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যে চিকিৎসার সম্ভাব্য পথ জানা যায়।
প্রশ্ন:ভাঙা দাঁতের চিকিৎসা করতে কত খরচ হয়?+
চিকিৎসার ধরন অনুযায়ী খরচ আলাদা হয়। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসের প্রকাশিত অফার অনুযায়ী Tooth Color Matching Filling ৳৮৯৯, রুট ক্যানাল ও পার্মানেন্ট ফিলিং ৳২,৯৯৯ এবং ক্রাউন/ব্রিজ ৳২,৯৯৯ থেকে শুরু হতে পারে; চূড়ান্ত খরচ পরীক্ষা ও চিকিৎসার জটিলতার ওপর নির্ভর করবে।
প্রশ্ন:দাঁত ভেঙে গেলে ভাঙা অংশ কি সংরক্ষণ করতে হবে?+
হ্যাঁ, ভাঙা টুকরোটি পরিষ্কার পাত্রে দুধ বা পরিষ্কার তরলে রেখে ডেন্টিস্টের কাছে নিন। টুকরোটি পুনরায় ব্যবহার করা যাবে কি না তা দাঁতের অবস্থা দেখে চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।
সিরিয়াল নিতে চান?
শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588
💬 WhatsApp করুন