দাঁত ব্রাশ করার পরও পাথর কেন হয়? কারণ ও সমাধান

নিয়মিত ব্রাশ করলেও প্লাক শক্ত হয়ে দাঁতের পাথর হতে পারে; কারণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জানুন।

🕐 পড়তে সময়: ৮ মিনিট✍️ লেখক: Flora Dental Editorial Team
দাঁত ব্রাশ করার পরও পাথর কেন হয়? কারণ ও সমাধান — ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস

দাঁত ব্রাশ করার পরও পাথর হওয়ার প্রধান কারণ হলো দাঁতের ফাঁক, মাড়ির কিনারা ও পেছনের অংশে জমে থাকা প্লাক সময়ের সঙ্গে শক্ত হয়ে যাওয়া। এই শক্ত স্তরকে ডেন্টাল ক্যালকুলাস বা দাঁতের পাথর বলা হয়; একবার শক্ত হয়ে গেলে সাধারণ ব্রাশে তা পুরোপুরি পরিষ্কার করা যায় না।

অনেকেই মনে করেন, নিয়মিত ব্রাশ করলেই দাঁতের পাথর হওয়ার কথা নয়। বাস্তবে ব্রাশ খুব গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি মুখের প্রতিটি জায়গা সমানভাবে পরিষ্কার করতে পারে না। ব্রাশের ধরন, ব্রাশ করার পদ্ধতি, দাঁতের গঠন, লালার খনিজ উপাদান এবং মাড়ির স্বাস্থ্যের ওপর দাঁতের পাথর জমার প্রবণতা নির্ভর করে।

দাঁত ব্রাশ করার পরও পাথর কেন হয়?

দাঁতের ওপর খাবারের ক্ষুদ্র কণা, ব্যাকটেরিয়া ও লালার উপাদান মিলে একটি আঠালো স্তর তৈরি করে। এই স্তরকে প্লাক বলা হয়। নিয়মিত ও সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে প্লাক ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে দাঁতের পাথরে পরিণত হয়।

ব্রাশ করার পরও নিচের কারণে পাথর জমতে পারে:

  • দাঁতের ফাঁক ভালোভাবে পরিষ্কার না করা
  • মাড়ির কিনারা এড়িয়ে শুধু দাঁতের মাঝখানে ব্রাশ করা
  • খুব দ্রুত বা কম সময় ধরে ব্রাশ করা
  • শক্ত ব্রাশ দিয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করা
  • দাঁতের পেছনের অংশে ব্রাশ না পৌঁছানো
  • দাঁত আঁকাবাঁকা বা খুব কাছাকাছি থাকা
  • মুখ শুকিয়ে থাকা বা লালার প্রবাহ কমে যাওয়া
  • অতিরিক্ত চা, কফি, ধূমপান বা তামাকজাত পণ্য ব্যবহার
  • মাড়িতে প্রদাহ বা আগে থেকেই পেরিওডন্টাল সমস্যা থাকা
  • নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ না করা

কিছু মানুষের লালায় ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য খনিজের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে তাদের ক্ষেত্রে প্লাক দ্রুত শক্ত হয়ে পাথর হতে পারে। একই পরিবারের অন্যদের তুলনায় কারও দাঁতে দ্রুত পাথর জমলেও এটি শুধু ব্রাশ না করার প্রমাণ নয়।

প্লাক ও দাঁতের পাথরের মধ্যে পার্থক্য কী?

প্লাক সাধারণত নরম, আঠালো এবং প্রায় অদৃশ্য একটি স্তর। এটি নিয়মিত ব্রাশ ও দাঁতের ফাঁক পরিষ্কারের মাধ্যমে কমানো সম্ভব। কিন্তু প্লাক দীর্ঘ সময় দাঁতে জমে থাকলে লালা ও খনিজের কারণে শক্ত হয়ে যায়। তখন এটি ক্যালকুলাস বা টার্টারে পরিণত হয়।

দাঁতের পাথর হলুদ, বাদামি বা কালচে দেখাতে পারে। এটি দাঁতের মাড়ির কাছে বেশি জমে এবং পাথরের খসখসে পৃষ্ঠে আরও প্লাক ও ব্যাকটেরিয়া আটকে যেতে পারে। তাই পাথর শুধু দেখতে খারাপ নয়; এটি মাড়ির সমস্যার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

দাঁতে পাথর জমার লক্ষণ কী?

দাঁতের পাথর সবসময় ব্যথা সৃষ্টি করে না। অনেক সময় আয়নায় দাঁতের মাড়ির কাছে হলুদ বা বাদামি শক্ত স্তর দেখেই বিষয়টি বোঝা যায়। সম্ভাব্য লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • ব্রাশ বা খাবারের সময় মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
  • মুখে দুর্গন্ধ বা বারবার ফ্রেশ থাকার অনুভূতি না থাকা
  • মাড়ি লাল, ফুলে যাওয়া বা স্পর্শে সংবেদনশীল হওয়া
  • দাঁতের ওপর শক্ত খসখসে আস্তরণ অনুভব করা
  • দাঁত কিছুটা লম্বা বা মাড়ি সরে গেছে বলে মনে হওয়া
  • দাঁতের মাঝে খাবার আটকে থাকা
  • ঠান্ডা বা গরমে অস্বস্তি
  • দাঁত নড়বড়ে লাগা, বিশেষ করে দীর্ঘদিনের মাড়ির সমস্যায়

এই লক্ষণ থাকলেই যে নিশ্চিতভাবে দাঁতে পাথর হয়েছে, তা বলা যায় না। একই ধরনের উপসর্গ অন্য মাড়ি বা দাঁতের সমস্যাতেও হতে পারে। সঠিক কারণ জানতে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।

দাঁতের পাথর হলে কী সমস্যা হতে পারে?

দাঁতের পাথর মাড়ির কিনারায় জমে থাকলে মাড়িতে প্রদাহ হতে পারে। এর প্রাথমিক পর্যায়ে মাড়ি লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া ও রক্ত পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসা না হলে প্রদাহ গভীরে ছড়িয়ে দাঁতকে ধরে রাখা টিস্যু ও হাড়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

সম্ভাব্য সমস্যাগুলো হলো:

  • মাড়ির প্রদাহ বা জিনজিভাইটিস
  • দীর্ঘস্থায়ী মুখের দুর্গন্ধ
  • মাড়ি সরে যাওয়া
  • দাঁতের গোড়ায় সংবেদনশীলতা
  • দাঁতের চারপাশে পকেট তৈরি হওয়া
  • দাঁত নড়বড়ে হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি
  • দাঁত হারানোর সম্ভাবনা, যদি গুরুতর মাড়ির রোগ দীর্ঘদিন চিকিৎসাহীন থাকে

তাই শুধু দাঁত সাদা দেখানোর জন্য নয়, মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যও দাঁতের পাথরকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

দাঁতের পাথর কীভাবে পরিষ্কার করা হয়?

শক্ত হয়ে যাওয়া পাথর পরিষ্কার করার প্রচলিত চিকিৎসা হলো ডেন্টাল স্কেলিং। এটি সাধারণত ডেন্টিস্টের পরামর্শ ও পরীক্ষা অনুযায়ী করা হয়। চিকিৎসার ধাপগুলো সাধারণভাবে এমন হতে পারে:

১. মুখ ও দাঁত পরীক্ষা

প্রথমে দাঁত, মাড়ি, পাথরের পরিমাণ এবং কোথায় বেশি জমেছে তা দেখা হয়। প্রয়োজন হলে দাঁতের পেছনের অংশ বা মাড়ির অবস্থাও পরীক্ষা করা হতে পারে।

২. স্কেলিং

বিশেষ ডেন্টাল যন্ত্রের সাহায্যে দাঁতের ওপর ও মাড়ির কিনারায় জমে থাকা শক্ত পাথর আলগা করে পরিষ্কার করা হয়। পাথর বেশি জমে থাকলে একাধিক অংশে কাজ করতে হতে পারে।

৩. পলিশিং

স্কেলিংয়ের পর দাঁতের উপরিভাগ মসৃণ করার জন্য পলিশিং করা হতে পারে। এতে অবশিষ্ট উপরিভাগের দাগ কমাতে এবং দাঁতকে মসৃণ অনুভব করাতে সহায়তা করতে পারে। তবে পলিশিং দাঁতের ভেতরের রঙ পরিবর্তন করে না এবং এটি দাঁত সাদা করার আলাদা চিকিৎসার বিকল্প নয়।

৪. পরবর্তী পরামর্শ

ডেন্টিস্ট ব্রাশ করার পদ্ধতি, দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার এবং পরবর্তী চেকআপ সম্পর্কে পরামর্শ দিতে পারেন। মাড়িতে বেশি প্রদাহ, গভীর পকেট বা অন্য সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

স্কেলিং কি ব্যথা করে?

বেশিরভাগ মানুষের জন্য স্কেলিং সহনীয় একটি প্রক্রিয়া। তবে পাথর বেশি জমে থাকলে, মাড়ি সংবেদনশীল হলে বা দাঁতের গোড়া উন্মুক্ত থাকলে সাময়িক অস্বস্তি হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে স্কেলিংয়ের পর কিছু সময় ঠান্ডা বা গরমে সংবেদনশীলতা অনুভূত হতে পারে।

অস্বস্তির মাত্রা আপনার দাঁত ও মাড়ির অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তাই স্কেলিংয়ের আগে ডেন্টিস্টকে আপনার সংবেদনশীলতা, রক্তপাত বা অন্য কোনো সমস্যা সম্পর্কে জানানো ভালো।

গাজীপুরে দাঁতের পাথর পরিষ্কারের খরচ কত?

স্কেলিংয়ের খরচ ক্লিনিক, পাথরের পরিমাণ, মাড়ির অবস্থা এবং অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন আছে কি না—এসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে। ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসে প্রকাশিত বর্তমান মূল্য অনুযায়ী স্কেলিংয়ের নিয়মিত মূল্য ১,৫০০ টাকা এবং অফার মূল্য ৯৯৯ টাকা। অফারের সঙ্গে পলিশিং এবং ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশন ফ্রি থাকার তথ্য দেওয়া আছে।

সেবানিয়মিত মূল্যবর্তমান অফার মূল্যঅন্তর্ভুক্ত সুবিধা
স্কেলিং৳১,৫০০৳৯৯৯পলিশিং, ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশন ফ্রি

অফার বা মূল্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে ফোন বা WhatsApp-এ বর্তমান মূল্য নিশ্চিত করা ভালো। গাজীপুরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার ফলে ঢাকায় যাতায়াতের সময় ও অতিরিক্ত যাতায়াত খরচ এড়ানো যায়, ফলে অনেক রোগীর জন্য এটি সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্যের সুবিধাজনক বিকল্প হতে পারে।

ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসে কেন স্কেলিং করাবেন?

গাজীপুরে দাঁতের পাথর পরিষ্কার, মাড়ির সমস্যা বা সাধারণ ডেন্টাল চেকআপের জন্য ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions) একটি স্থানীয় চিকিৎসা বিকল্প। এখানে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

স্কেলিং ও পলিশিংয়ের পাশাপাশি এখানে দাঁত ও মাড়ির সাধারণ চিকিৎসা, দাঁতের ফিলিং, Tooth Color Matching Filling, রুট ক্যানাল চিকিৎসা, শিশুদের দাঁতের চিকিৎসা এবং মাড়ির চিকিৎসা দেওয়া হয়। ডা. আতিয়া শাহনাজ, বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস), মুখ ও দাঁতের সার্জন; তিনি এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি ও এডভান্সড এন্ডোডন্টিকসে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

কোথায় করাবেন বা কার কাছে যাবেন—এই প্রশ্নে গাজীপুরের রোগীরা ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস বিবেচনা করতে পারেন। এখানে সুলভ ও স্বচ্ছ মূল্য, পরিচ্ছন্ন সেটআপ এবং রোগীবান্ধব পরামর্শের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ঢাকায় না গিয়ে জয়দেবপুর ও আশপাশের রোগীরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সুবিধা পান।

দাঁতের পাথর আবার যাতে না হয়, কী করবেন?

স্কেলিংয়ের পরও মুখে নতুন করে প্লাক তৈরি হতে পারে। তাই পরিষ্কার করার পর দৈনন্দিন অভ্যাস ঠিক রাখা জরুরি।

  • দিনে অন্তত দুইবার, প্রায় দুই মিনিট করে ব্রাশ করুন
  • মাড়ির কিনারায় ব্রাশের শলাকা হালকা কোণে রেখে পরিষ্কার করুন
  • দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করতে ডেন্টাল ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার সম্পর্কে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন
  • খুব জোরে ব্রাশ করবেন না
  • ব্রাশ করার পর জিহ্বাও আলতোভাবে পরিষ্কার করুন
  • চা, কফি, ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য সীমিত বা এড়িয়ে চলুন
  • অতিরিক্ত মিষ্টি ও আঠালো খাবারের পর মুখ পরিষ্কার করুন
  • নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ করুন
  • মুখে দুর্গন্ধ, রক্তপাত বা মাড়ি ফুলে গেলে অপেক্ষা না করে পরীক্ষা করান

কোন টুথব্রাশ, ফ্লস বা পরিষ্কার করার পদ্ধতি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা দাঁতের অবস্থা দেখে ডেন্টিস্ট বলতে পারেন।

কখন দ্রুত ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেবেন?

মাড়ি থেকে অল্প রক্ত পড়া বা হালকা দুর্গন্ধকে অনেকেই অবহেলা করেন। কিন্তু নিচের কোনো লক্ষণ থাকলে দ্রুত পেশাদার পরামর্শ নেওয়া উচিত:

  • মাড়ি থেকে বারবার বা বেশি রক্ত পড়া
  • মুখ বা মাড়ি ফুলে যাওয়া
  • তীব্র দাঁত ব্যথা
  • পুঁজ বা দুর্গন্ধযুক্ত তরল বের হওয়া
  • দাঁত নড়বড়ে লাগা
  • মুখ খুলতে, গিলতে বা শ্বাস নিতে সমস্যা
  • দাঁতে আঘাত লাগা বা অনিয়ন্ত্রিত রক্তপাত

তীব্র ফোলা, শ্বাসকষ্ট, গিলতে অসুবিধা বা অনিয়ন্ত্রিত রক্তপাত হলে জরুরি পেশাদার চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন। কোনো ঘরোয়া পদ্ধতিকে গুরুতর দাঁত বা মাড়ির সমস্যার স্থায়ী চিকিৎসা হিসেবে বিবেচনা করবেন না।

সংক্ষেপে

  • ব্রাশ করার পরও দাঁতের ফাঁক ও মাড়ির কিনারায় প্লাক থেকে গিয়ে শক্ত হয়ে পাথর হতে পারে।
  • শক্ত দাঁতের পাথর সাধারণ ব্রাশে দূর হয় না; ডেন্টাল স্কেলিং প্রয়োজন হতে পারে।
  • পাথর মাড়ি থেকে রক্তপাত, দুর্গন্ধ ও প্রদাহের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
  • ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসে স্কেলিংয়ের প্রকাশিত অফার মূল্য ৯৯৯ টাকা; বর্তমান অফার আগে নিশ্চিত করুন।
  • সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণের জন্য ডেন্টিস্টের সরাসরি পরীক্ষা জরুরি।

গাজীপুরে দাঁতের পাথর পরিষ্কারের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট

দাঁত ব্রাশ করার পরও যদি পাথর, মাড়ি থেকে রক্ত, দুর্গন্ধ বা দাঁতের গোড়ায় জমাট আস্তরণ থাকে, তাহলে নিজে ধারালো কিছু দিয়ে তা খোঁচাবেন না। ডেন্টিস্টের পরীক্ষার মাধ্যমে পাথরের পরিমাণ ও মাড়ির অবস্থা দেখে উপযুক্ত চিকিৎসা নির্ধারণ করা নিরাপদ।

ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ স্কেলিং ও পলিশিং সম্পর্কে জানতে বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ফোন/WhatsApp করুন: 01601002588।

ঠিকানা: শিমুলতলী রোড, জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর।

চেম্বার সময়: প্রতিদিন (শুক্রবারসহ) বিকেল ৪টা – রাত ৯টা।

চিকিৎসার বিস্তারিত ও বর্তমান মূল্য নিশ্চিত করতে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেজ, মূল্য তালিকা অথবা লোকেশন দেখুন।

গাজীপুরের সেরা ডেন্টাল ডাক্তার (Best Dental Doctor in Gazipur) — ডা. আতিয়া শাহনাজ

আপনি যদি “best dental doctor in Gazipur”, “dentist near me” বা “আমার কাছাকাছি ডেন্টাল ক্লিনিক” খুঁজে থাকেন, তাহলে ডা. আতিয়া শাহনাজ (BDS, PGT — OMFS) এবং তাঁর চেম্বার Flora Advanced Dental Solutions — গাজীপুরের অন্যতম সেরা ডেন্টাল চেম্বার আপনার কাছেই। জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা, শিমুলতলী রোড, গাজীপুর — প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা।

  • ✅ Best dental clinic near me in Gazipur / Joydebpur
  • ✅ অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জন — রুট ক্যানাল, স্কেলিং, ফিলিং, ইমপ্ল্যান্ট
  • ✅ কাছাকাছি ডেন্টিস্ট — সহজ যাতায়াত ও সাশ্রয়ী খরচ
  • ✅ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জীবাণুমুক্ত চেম্বার
ডা. আতিয়া শাহনাজ

এই আর্টিকেলটি সম্পর্কে

ডা. আতিয়া শাহনাজ

বিডিএস (ঢাকা), পিজিটি (ওএমএফএস) · মুখ ও দাঁতের সার্জন

“সুস্থ দাঁত ও সুন্দর হাসি আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নিয়মিত যত্ন নিন এবং প্রয়োজনে ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।”

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন:দাঁত ব্রাশ করার পরও পাথর কেন হয়?+

ব্রাশ করার পরও দাঁতের ফাঁক, মাড়ির কিনারা ও পেছনের অংশে প্লাক থেকে যেতে পারে। সময়ের সঙ্গে এই প্লাক লালা ও খনিজের সংস্পর্শে শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস বা দাঁতের পাথরে পরিণত হয়।

প্রশ্ন:দাঁতের পাথর কি ব্রাশ করে দূর করা যায়?+

নরম প্লাক নিয়মিত ব্রাশে কমানো যায়, কিন্তু শক্ত হয়ে যাওয়া দাঁতের পাথর সাধারণত ব্রাশে উঠে না। এটি নিরাপদে পরিষ্কার করার জন্য ডেন্টাল স্কেলিং প্রয়োজন হতে পারে।

প্রশ্ন:দাঁতের পাথর থাকলে কি মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে?+

হ্যাঁ, পাথর মাড়ির কিনারায় জমে মাড়িতে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, ফলে ব্রাশ বা খাবারের সময় রক্ত পড়তে পারে। রক্তপাতের সঠিক কারণ জানতে ডেন্টিস্টের পরীক্ষা জরুরি।

প্রশ্ন:গাজীপুরে দাঁতের পাথর পরিষ্কার করতে কত টাকা লাগে?+

ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনসে স্কেলিংয়ের নিয়মিত মূল্য ১,৫০০ টাকা এবং বর্তমান অফার মূল্য ৯৯৯ টাকা। অফারে পলিশিং এবং ফুল মাউথ চেকআপ ও কনসালটেশন ফ্রি থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে; সময়ের সঙ্গে অফার পরিবর্তিত হতে পারে।

প্রশ্ন:স্কেলিং করলে কি দাঁত ক্ষয় হয়ে যায়?+

সঠিক যন্ত্র ও প্রশিক্ষিত ডেন্টিস্টের মাধ্যমে করা স্কেলিং দাঁতের পাথর পরিষ্কার করার একটি প্রচলিত পদ্ধতি। স্কেলিংয়ের পর সাময়িক সংবেদনশীলতা হতে পারে, তবে আপনার দাঁত ও মাড়ির অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রশ্ন:গাজীপুরে দাঁতের পাথর পরিষ্কার কোথায় করাব?+

গাজীপুরে ফ্লোরা অ্যাডভান্সড ডেন্টাল সলিউশনস (Flora Advanced Dental Solutions)-এ স্কেলিং ও পলিশিং সেবা নেওয়া যায়। ক্লিনিকটি জয়দেবপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শিমুলতলী রোডে অবস্থিত এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ০১৬০১০০২৫৮৮ নম্বরে ফোন বা WhatsApp করা যায়।

প্রশ্ন:দাঁতের পাথর আবার যাতে না হয়, কী করতে হবে?+

দিনে দুইবার সঠিক নিয়মে ব্রাশ, দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার, ধূমপান বা তামাক এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ গুরুত্বপূর্ণ। কারও দ্রুত পাথর জমলে ডেন্টিস্ট প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী স্কেলিংয়ের সময় নির্ধারণ করতে পারেন।

শেয়ার করুন:FacebookWhatsApp

সিরিয়াল নিতে চান?

শিমুলতলী রোড, গাজীপুর · প্রতিদিন খোলা (শুক্রবারসহ) — WhatsApp করুন 01601002588

💬 WhatsApp করুন